মেসি ম্যাজিকে পরাস্ত প্যারাগুয়ে

Update: September 8, 2012 16:56 IST

২০১৪র বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৩-১ গোলে পরাস্ত করল আর্জেন্টিনা। এরসাথেই `কনমেবল` গ্রুপে নিজেদের শীর্ষস্থান বজায় রাখল তারা। লাতিন আমেরিকা গ্রুপে চিলি আর ইকুয়েডরের থেকে ১ পয়েন্টে এগিয়ে রইল আর্জেন্টিনা।

ভারতীয় সময় শনিবার ভোরে করডোবার এস্তাদিও মারিয়া স্টেডিয়ামে দর্শকরা সাক্ষী থাকলেন মেসি `ম্যাজিক`-এর। প্রথোমার্দ্ধে প্যারাগুয়ের `রাফ` ফুটবলের কাছে বেশ অসহায় লাগছিল আলবিসেলেস্তদের। এই অর্দ্ধেই ১৫ টি ফাউল হয়। কিন্তু ম্যাচের দ্বিতীয়ার্দ্ধে খেলা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন আর্জেন্টিয়রা। যদিও ম্যাচের দু`অর্দ্ধেই মেসির পা এর জাদু কখনই থেমে থাকেনি। প্রথোমার্দ্ধে মেসির দুটি দুরন্ত শট বারে লেগে ফিরে আসে। প্যারাগুয়ের গা জোয়ারি ফুটবলকে অকেজো করে বিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে বেশ কয়েকবার পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ঢুকে পরেন এই বার্সেলেনিয় মহাতারকা। কিন্তু তাঁর একটি প্রচেষ্টাও `গোলে` পরিণত হয়েনি। দ্বিতীয়ার্দ্ধে একটি ফ্রি কিক থেকে অভিপ্রেত গোলটি পেয়ে যান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এই নিয়ে চলতি বছরে আর্জেন্টিনার হয়ে নবম গোলটি করে ফেললেন মেসি। ডি মারিয়া এবং ইগুয়েন আর্জেন্টিনার হয়ে বাকি গোল দুটি করেন। প্যারাগুয়ের হয়ে পেনাল্টিতে একমাত্র গোলটি করেন জোনাথন ফ্যাব্রো।
অন্যদিকে এই গ্রুপেই কলাম্বিয়াকে ৪-০ হারাল উরুগুয়ে। ইউরোপ গ্রুপে মলডোভাকে ৫-০ হারিয়ে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের অভিযান শুরু করল ইংল্যান্ড। ল্যাম্পার্ড একাই দুটি গোল করেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।