শ্রীনগর হামলায় ধৃত সরকারি কর্মী

Update: March 15, 2013 21:39 IST

শ্রীনগরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে জঙ্গি হানার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে এক সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিস। বরমুল্লা থেকে প্রদীপ সিং নামে এই সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে ঘটনায় যুক্ত চার জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলের জানিয়েছে জম্মু কাশ্মীর পুলিস।

এই নিয়ে সিআরপিএফ ক্যাম্পে জঙ্গি হানার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হল।

এর আগে শ্রীনগরের ছট্টাবল থেকে দুই পাক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

গত রাতে ধৃত দুই পাকিস্তানি জঙ্গি শ্রীনগরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানি মৌলবাদী জঙ্গি গোষ্ঠীর জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে নেয়। তার সঙ্গেই এই হামলার ব্লুপ্রিন্টও ফাঁস করে দেয় তারা। শনিবার এমনটাই দাবি করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিস।

ধৃত দুই ব্যক্তি, বশির ও জুবির হামলার সময় সিআরপিএফের গুলিতে মৃত দুই জঙ্গিকে সনাক্ত করেছে বলেও পুলিস সূত্রে জানা গেছে। জুবির জানিয়েছে মৃত ওই দুই জঙ্গির নাম হায়দার ও সঈফ। এই দুই জঙ্গি পাক নাগরিক বলেও জানিয়েছে তারা।

রাজ্য পুলিসের দাবি ছিল ফেব্রুয়ারিতে জুবির পাঁচজনকে নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। পরে অবশ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেই দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছে। সংস্থার মতে ফেব্রুয়ারি মাসে পাক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই এদেশে চলে আসে এই জঙ্গিরা।

পুলিস সুত্রের খবর, বশির ও জুবির এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার যোগাযোগের কথা ফাঁস করে দিয়েছে।

সূত্রে খবর, হামলার দুদিন আগে এই চার জঙ্গি শ্রীনগরে ডেরা জমায়।






Post Your Comment

Total Comments:1

extreme alertness round the clock and collection of secret information regarding movement of militants as well as rapport with common people,these are the three-prong strategy the Govt. needs to follow to fight militancy.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।