পরিবহণে হাল ফেরাতে `আর্ট ড্রাইভিং স্কুল`

Update: April 12, 2012 22:19 IST

কম্পিউটারে দক্ষ, ইংরেজিতে পটু, স্মার্ট ড্রাইভারদের দিয়ে এবার পরিবহণের হাল ফেরাতে উদ্যোগী হচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে চালকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর জন্য নোনাপুকুর, কসবা সহ মোট ৪টি সরকারি ডিপোতে চালকদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলা হবে। গাড়ি চালানোর পাশাপাশি এই কেন্দ্রগুলিতে গাড়ির মেরামতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ড্রাইভার সম্পর্কে চলতি ধারণাকে পাল্টে দিতেই আর্ট ড্রাইভিং স্কুল চালু করছে রাজ্য সরকার। নোনাপুকুর, কসবা সহ ৪টি সরকারি ডিপোয় এই স্কুল শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তির জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম উচ্চমাধ্যমিক পাশ যোগ্যতা থাকা দরকার। বয়স হতে হবে ২৫ বছরের মধ্যে। পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি, এই ৩ ভাষায় কথোপকথনের পারদর্শিতা থাকতে হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালকদের ক্যাম্পাসিং-এর মাধ্যমে চাকরি দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা কমপক্ষে ১৫,০০০ টাকা মাইনের চাকরি পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে পরিবহণ মন্ত্রী জানিয়েছেন রাজ্যে ২০০০ কর্পোরেট বাস নামাতে চলেছে সরকার। সেই সব বাসেও এই আর্ট ড্রাইভিং স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালকরা চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।  

Post Your Comment

Total Comments:2

ar ekta tughlaki plan. amar mone hoi ager janme,pagla raja mahammad bin tughlaker vaipo chilen madan babu.

Lok Dekhano ... !!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।