জেটলির ফোনে আড়ি পাতল কে? প্রশ্ন বিজেপির

Update: March 1, 2013 20:49 IST

অরুণ জেটলির ফোনের তথ্য দিল্লি পুলিসের হাতে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাখ্যা মানতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার ফোন-কাণ্ড নিয়ে বেজায় চটেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

শুক্রবার সংসদে বিজেপির তরফে ভেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, "কিছু বিষয় নিশ্চই রয়েছে, যা সরকার আড়াল করার চেষ্টা করছে।" জেটলির ফোনের খুঁটিনাটি জানতে যিনি পুলিসকে কাজে লাগিয়েছিল, ধৃত সেই ব্যক্তির পরিচায় জানাতেও কেন কুণ্ঠা বোধ করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডে ওই ব্যক্তির গ্রেফতারি সম্পর্কে বলেন, "এই ঘটনাটি নিয়ম ভেঙে অন্যের ফোনের তথ্য জানার চেষ্টার ঘটনা।" এর সঙ্গে ফোন ট্যাপিংয়ের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এই ঘটনায় এক পুলিশকর্মী ও তিন গোয়েন্দাকে গ্রেফতারের সময় পুলিস আদালতে স্বীকার করে নায়, প্রায় ১২ জন রাজনৈতিক ব্যক্তির ফোনের তথ্য ঘাটার মতো ঘটনা, নিঃসন্দেহেই বড় ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।