জেল থেকে ছাড়া পেয়েই স্বমূর্তিতে কেজরিয়াল

Update: October 13, 2012 13:08 IST

শনিবার সকালেই ছাড়া পেয়ে গেলেন `ইন্ডিয়ান আগেনস্ট কোরাপসন`-এর অন্যতম সদস্য অরবিন্দ কেজরিয়াল ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। কংগ্রেস-কেজরিয়াল কাজিয়ায় নয়া মোড় এনে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী সলমন খুরশিদের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন কেজরিয়াল। খুরশিদের সংস্থাটিতে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুক্রবার সালমান খুরশিদের পদত্যাগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশ্যে মিছিল করে যাওয়ার সময় দিল্লি পুলিস এই একদা সমাজকর্মী অধুনা রাজনীতিবিদ ও তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতার করে।

জেল থকে ছাড়া পেয়েই কংগ্রেসকে আক্রমণের পথে হাঁটা অব্যাহত রাখলেন একদা আন্না ঘনিষ্ট কেজরিয়াল। তারঁ মতে কংগ্রেস সরকার পরিষ্কার `দাদাগিরি` করছে। পুকিসকে দিয়ে ইচ্ছা মত ধরপাকড় চালাচ্ছে তার। তবে নিজেদের প্রতিবাদের পথ থেকে মোটেও সরে আসছেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। কেজরিয়াল বলেছেন ``যতদিন না খুরশিদ পদত্যাগ করবেন ততদিন পার্লামেন্ট স্ট্রিটের থানার সামনে আমরা `ধর্ণা` চালাব।``

সরকারের বিরুদ্ধে বেছে বেছে তাঁদের স্বেচ্ছাসেবকদের ধরে অত্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে `আইএসি`-র পক্ষ থেকে। তবে এতে যে তাঁরা মোটেই দমে যাচ্ছেন না তাও জানিয়েছেন। কেজরিয়াল বলেছেন `` এরকম প্রত্যেকটি ঘটনাই আসলে আমদের শক্তি বাড়িয়ে তোলে।``

আইএসির পক্ষ থেকে কে কে দিক্ষিত জানিয়েছেন `` খুরশিদ ও তাঁর স্ত্রীর সংস্থা উত্তর প্রদেশের ১৬টি জেলার বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষদের সাইকেল রিক্সা কিনে দেওয়ার জন্য যে ৭১ লক্ষ টাকা পেয়েছিল তার সম্পূর্ণ অপব্যবহার করেছে।`` আরটিআই সূত্রেই এই খবর পাওয়া গেছে বলেও জানানো হয়েছে কেজরিয়াল গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে।

সলমন খুরশিদ অবশ্য এই সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।