বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম ঘিরে মাতোয়ারা মেলবোর্ন পার্ক

Update: January 14, 2013 11:26 IST

ক্যাঙারুর দেশে র‌্যাকেটের লড়াই শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সরগরম। আজ শুরু হয়ে গেল বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। মেলবোর্নের হাঁসফাস গরম, দর্শকদের আবেগ, আর রড লেভার এরিনাকে ঘিরে মিডিয়ার উত্‍সাহ এখন তুঙ্গে।

এবারে মেলবোর্ন পার্কে ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে দুজন। নোভাক জকোভিচ আর সেরেনা উইলিয়ামস। পরপর দুবার চ্যাম্পিয়ন জকোভিচের কাছে সুযোগ খেতাবের হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস তৈরির। এবার রড লেভার এরিনাতে চ্যাম্পিয়নের ট্রফিটা দখল করতে পারলেই পুরুষদের সিঙ্গলসে প্রথমবার পর পর তিনবার অসি ওপেন জেতার অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করবেন `জোকার`। অন্যদিকে মেয়েদের সিঙ্গলসে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন সেরেনা উইলিয়ামসও আর একবার প্রিয় এই ট্রফি জিতে চাইবেন `সেরেনা স্ল্যাম` গড়তে। বত্রিশ বছরে সেরেনা উইম্বলডন আর ইউএসএ ওপেন জেতার পর এখন ফর্মের তুঙ্গে। এমনিতেই অস্ট্রেনিয়ান ওপেনের প্রচারে জকোভিচের সঙ্গে গ্যাং নাম স্টাইলে নেচে বুঝিয়ে দিয়েছেন বেশ খোশমেজাজেই আছেন তিনি।

তবে ফেভারিট না হলেও সবারই নজর থাকবে রজার ফেডেরার দিকেও। অন্যদিকে অ্যান্ডি মারে গতবছর ইউএস ওপেন জিতে গ্র্যান্ডস্লামের খাতা খুলে ফেলেছেন। তিনিও চাইবেন বছরের প্রথম ট্রফিটা জিতে তাঁর জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে। মেয়েদের সিঙ্গলসে শীর্ষ বাছাই আজারেঙ্কা হলেও দর্শকদের কাছে কিন্তু সেরেনার পরে দর্শকদের চোখ থাকবে মারিয়া শারাপোভার দিকে।

সিঙ্গলসে ভারতের চ্যালেঞ্জ সোমদেব দেববর্মন। অবশ্য দ্বিতীয় রাউন্ডের গণ্ডি টপকাতে পারলেই সোমদেবের কাছে সেটা বড় ব্যাপার হবে। ডাবলসে গতবারের চ্যাম্পিয়ন লিয়েন্ডার পেজ এবারও ফেভারটি হয়ে নামছেন। সানিয়া মির্জা নতুন মিক্সড ডাবলস পার্টনারকে নিয়ে নামছেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।