সেন্সরের কোপে `কাঙাল মালসাট`

Update: February 24, 2013 13:08 IST

সুমন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত `কাঙাল মালসাট` ছবিটি নিয়ে বিতর্ক দানা বেধেছে। ছবিটিকে সবুজ সঙ্কেত দেয়নি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কলকাতা অফিস। বিশেষ সূত্রে খবর, ছবিতে বর্তমান রাজ্য সরকারের  অপছন্দের কিছু দৃশ্য নিয়েই আপত্তি উঠেছে।

ছবিতে একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কবীর সুমনও। ছবিটিতে সিঙ্গুরের টাটাবিরোধী আন্দোলন, মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ ও বিভিন্ন সরকারি কমিটি নিয়ে কিছু দৃশ্য রয়েছে। টালিগঞ্জে গুঞ্জন, ওই দৃশ্যগুলির কারণেই ছবিটি আটকে দেওয়া হয়েছে। কারণ সেন্সর কমিটিতে বর্তমান শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু লোক রয়েছেন বলে খবর। ছবিটি আপাতত, ফিল্ম সার্টিফিকেশন অ্যাপিলেট ট্রাইবুনালে পাঠানো হয়েছে। 

Post Your Comment

Total Comments:9

MR.SUMON BAMFRONTER BIRODHITA KORER SOMAY ET SMARAN THAKA UTCHIT CHILO, MAMATA BANERJEE EK JON SAIRATRANTIK NETRI, KONO BIRODHITA UNI POCHONDO KOREN NA. UNI ``TEL`` KHETE VALOBASEN. MOSAHEB CHARA ONER KACHE KONO JAIGA NAI.JEMON EKHONO ACHEN ``KAKSILPI``SUVA PROSONNO, ARPITAGHOSH, SAULIMITRA PROVITI.

It is not bad if you can manage two paise or special favor or any Bangla Ratna award by doing Chamchagiri.Hell with freedom of speech or freedom expression.

গণতান্ত্রিক বাক-স্বাধীনতা খর্ব করার প্রচেষ্টা !! সুমন... তোমার পাশে আমরা আছি !! কোনও মতে ফ্যাসিস্ট আক্রমণের কাছে মাখা নত করবে না !

খুব আনন্দের কথা,আবার স্তালিন বিতর্ক উঠে এলো। এই সব সুযোগেই তো একপেশে প্রচারের বিপক্ষে অন্যমতটা উঠে আসতে পারে । ভাবুন তো সেই সব দিনগুলির কথা, যখন ১৯৩৯ র ১ সেপ্টম্বরে শুরু হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাত্র ২১ মাসের মধ্যেই হিটলার আর তার নাজী পার্টী গোটা ইউরোপের মূল ভূখন্ডে একচ্ছত্র শাসক হয়ে উঠেছে এবং ১৯৪১ এর ২২ শে জুন শুরু করেছে তার শেষ ধাক্কা, ‘অপারেশান বারবারোসা’,যখন ইংল্যান্ড তার অস্তিত্ব বাঁচাতে লড়ছে আফ্রিকায় এবং যখন আমেরিকাও সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়নি তখন সেই নেকড়ের ( হিটলারের এক যুদ্ধ বাংকারের নাম ছিলো-নেকড়ের গুহা ) মুখে এক অসম লড়াই করেছিলো কমরেড জোসেফ স্তালিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার মানুষ ।

হিটলারের পদানত ইউরোপের বিরুদ্ধে সদ্য উত্থিত কৃষি প্রধান এক ‘ভিখারি’ ইউরেশিওর এক সম্পূর্ণ বীপরীত মতবাদ রক্ষার লড়াই ছিলো সেটা । স্তালিনের ১৯০ ডিভিশন সৈন্যের প্রায় দ্বিগুণ সৈন্যের সম্রাট হিটলারের বিজয় অভিযানের কথা পড়লে , জানলে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে । বার্লিন থেকে প্রায় ১২০০ কিমি এসেছিলো তারা মস্কো / লেনিনগ্রাদ জয় করতে।, ৬ মাসে পৌঁছে গিয়েছিলো তারা প্রায় অভীষ্টে কিন্তু শেষ মাত্র ৫০ কিমি তারা যেতে পারেনি । ‘ডলারভোজী’ পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরা শীতের কথা বলেন । তাঁরা বলেন না কেন শীত বেছে বেছে শুধু জার্মানদের প্রেমে পড়েছিলো ? তাঁরা বলেন না , হতসর্বস্ব রুশ গেরিলারা কিভাবে জমে যাওয়া লাদোগা হ্রদের মধ্যে থেকে বা খোলা মাঠে পড়ে থেকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত শিক্ষিত সৈন্য বাহিনীকে , যারা ২ বছরের কমে ‘স্বাধীন গণতান্ত্রিক শিবির’- কে উদোম করে দিয়েছিলো সেই তারা কেন এই উদোম মানুস গুলির কাছে নতজানু হলেন ?

কমরেড স্তালিন প্রসঙ্গে নীচের উদ্ধৃতি গুলি রাখতে চাই । (১) “দাঁতে খুঁত, তবু হাতীর দাঁত” – অধ্যাপক হীরেন মুখোপাধ্যায় ( স্তালিনের উত্তরাধিকার ) (২) “বর্তমান মূহূর্তে সবচেয়ে চূড়ান্ত লড়াই চলছে রাশিয়ায় । .........নিজেকে রক্ষা করতে গিয়ে রাশিয়া সারা পৃথিবীকে নাৎসিবাদের কবল থেকে রক্ষা করার কথা ভাবছে । এই দেশটির কাছে আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিতও , ভবিষ্যত পৃথিবীতে সে আমাদের সু-প্রতিবেশী ও প্রকৃত বন্ধু হতে পারবে” -প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ( অপারেশন বারবারোসা –একুশ শতক, পৃঃ ৯৩) (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-ভিক্টর মাতশুলেঙ্কো—পৃঃ১৮৮) (৩) “এই বৃহৎ লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে মানব জাতির ভাগ্য । ............একদিকে আলো ও প্রগতি , অন্যদিকে অন্ধকার ও প্রতিক্রিয়া , দাসত্ব ও মৃত্যু। রাশিয়া তার সমাজতান্ত্রিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে গিয়ে আনাদের স্বাধীনতার জন্য লড়ছে । মস্কো রক্ষা করতে গিয়ে সে লন্ডনকেও রক্ষা করছে” । জনসন,ক্যান্টারবেরীর ডিন ( ঐ-পৃঃ৬৭) (উইলিয়াম শিরার-রাইজ এন্ড ফল অফ থার্ড রাইখ- (পৃ-১৫৭ ) (৪) “স্তালিনকে ধন্যবাদ কারণ সে এই প্রথমবার হিটলারকে রুখে দিয়েছে । ( ঐ-পৃঃ৫৯)থমাস মান—অণীক, স্তালিন সংখ্যা

(৫) (ক) “ফ্রান্সের যুদ্ধে জেতার পরবর্তী কবোষ্ণ আবহাওয়ায়, ইউরোপের মূল ভূখন্ডে চূড়ান্ত আধিপত্যের সময় , হিটলারের যুক্তি, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণ কোনও দ্বিতীয় রণক্ষেত্রের জন্ম দেবে না কারণ প্রথমটিই নেই, নিশ্চয়ই কিছুটা হলেও গ্রহণযোগ্য” । ( ঐ-পৃঃ ১০২) অ্যালান ক্লার্ক, থ্যাচার মন্ত্রীসভার সচিব ( বারবারোসা-ভূমিকা) (খ) ‘মনে হয়, রাশিয়ানরা একক ভাবেই যুদ্ধে জিততে পারতো অন্ততঃ ফলশূন্য রাখতে পারতো পশ্চিমী সাহায্য ছাড়াই । পশ্চিমীরা জার্মান সৈন্যের যে অংশটুকু আটকে রেখেছিলো তা প্রান্তিক মাত্র, তাতে ফলাফল নির্ধারিত হয় না । অর্থাৎ বলা যায়, পশ্চিমীদের দ্বিতীয় রণাঙ্গণ যুদ্ধের স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করেছে, পরিণতিকে নয়’ ।(ঐ- পৃ-১০২)- (ঐ) (গ) “খুবই দুঃখের কথা যে, আমাদের প্রথাগত বিরোধী সোভিয়েত রাশিয়ার ভূমিকাকে ছোটো করে দেখাতে গিয়ে রুশীদের ধৈর্য্য, স সময়োচিত উদ্ভাবনা, সাহস, বীরত্ব, কষ্টসহিষনুতা, দেশপ্রেম, আবেগ এবং ‘রোমান্টিসিজম’ কে অস্বীকার করছি’। ( ঐ-পৃ ঃ ১০২) ( ঐ )

শেষে বলবো , যাঁরা স্তালিনের সমালোচক নন, শুধুই নিন্দাকারী , তাঁরা জেনে রাখুন , যদি স্তালিন সেই যুদ্ধে হেরে যেতান, হেরে যেতো মানব জাতি আর রাজত্ব করতো সেই ফ্যাসিস্ত শক্তি যারা বিশ্বাস করতো এবং তাদের সেই বিশ্বাসের প্রয়োগক্ষেত্র ছিলো প্রায় শতাধিক ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’, যেখানে অনার্য্য হওয়ার জন্য বাঁচবার অধিকার ছিলো না কারোরও । ফ্যাসিস্ত দর্শণের মূল কথাই হল রিপাবলিকের অবলুপ্তি । তাই যাঁরা কমরেড স্তালিনকে হিটলারের সঙ্গে একসারিতে বসান তাঁদের শুধু বুদ্ধিজীবি বলা যাবে না , তাঁরা নিশ্চিতই ‘বুদ্ধিমান বুদ্ধিজীবী । সমস্ত স্বাধীন মনস্ক মানুষ অন্ততঃ একবার কমরেড স্তালিনের জন্য মানবতাকে বাঁচাবার জন্য, হিটলারের ফ্যাসি দর্শণকে পরাস্ত করার জন্য উঠে দাঁড়ান । নমস্কার ।

ETO SAHAJE CHERE DILE CHOLBE NA....CHOBI TA TE JAI THAKUK TAI KAKHONOI ATKANO UCHIT NOI....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।