জামাত-বিএনপিকে ঠেকাতে ময়দানে আওয়ামি লিগ

Update: March 9, 2013 21:22 IST

এবার রাজনৈতিকভাবে জামাত ও বিরোধী শিবির বিএনপি-র তাণ্ডবের মোকাবিলা সিদ্ধান্ত নিল আওয়ামি লিগ। দলের তরফে আগামি ১৮ তারিখ ঢাকায় বড় সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। সমাবেশে ভাষণ দেবেন  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যদিকে, আজও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় কট্টরপন্থীরা। মতিঝিলে একটি মিছিলের ওপর হাত বোমা ছোঁড়া হয়।

গণজাগরণ মঞ্চের উদ্যোক্তা রফিউর রাব্বির ছেলে তানভির মহম্মদ তক্বির হত্যার প্রতিবাদে শনিবার নারায়ণগঞ্জে হরতালের ডাক দিয়েছিল জেলা সাংস্কৃতিক জোট। ভোর থেকে হরতলের সমর্থনে শহরের চাষাড়া এলাকায় মিছিল বের করেন হরতাল সমর্থকরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালানোর পাশপাশি, ভাঙচুর চালানো হয় দুটি গাড়িতেও। অবরোধ করা হয় ট্রেন লাইনও। ত্বকির হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিস। গোটা ঘটনায় কট্টরপন্থীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ আওয়ামি লিগের।
 
প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশপাশি, এবার রাজনৈতিকভাবে কট্টরপন্থীদের মোকাবিলায় প্রস্তুত হচ্ছে আওয়ামি লিগ। আগামি আঠারো তারিখ ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের মাঠে বড় সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগের তরফে। সেখানে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। পাশপাশি, জামাত শিবিরের হিংসার শিকার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলি পরিদর্শন করবেন আওয়ামি লিগ ও ১৪ দলের প্রতিনিধিরা। দলের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু পরিবারগুলির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার। যুদ্ধাপরাধীদের চরম শাস্তির দাবিতে শনিবারও উত্তপ্ত ছিল বাংলাদেশ। মতিঝিলে একটি মিছিলের ওপর হাত বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় জামাতপন্থীরা।
 

Post Your Comment

Total Comments:2

সালার আওয়ামি , নেংটি , নটির পিতার (জাতির পিতা একমাত্র ইব্রাহীম ``আঃ``) আওয়ামি লিগকে আমরা মুসলমানরা বাশ দিব । সবাই মিলে বেড়ে নামাব ক্ষমতা থেকে । আমি আগে আওয়ামি লীগের সমর্থক ছিলাম । কিন্তু ওরা যে জাতে নেংটি তা জানতাম না ।

সালার আওয়ামি , নেংটি , নটির পিতার আওয়ামি লিগকে আমরা মুসলমানরা বাশ দিব । সবাই মিলে বেড়ে নামাব ক্ষমতা থেকে । আমি আগে আওয়ামি লীগের সমর্থক ছিলাম । কিন্তু ওরা যে জাতে নেংটি তা জানতাম না ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।