দুপক্ষের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ

দুপক্ষের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ

দুপক্ষের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশএকদিকে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দাবি, অন্যদিকে বিচার বাতিলের দাবি জামাতের। দুপক্ষের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। শনিবারও নতুন করে হিংসায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।  পাবনায় জামাত সমর্থকদের হামলা ঠেকাতে গুলি চালায় পুলিস। গুলিতে দুজন জামাত সমর্থকের মৃত্যু হয়। জামাতের অভিযোগ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাতিলের দাবিতে তাঁদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদে জামাত সহ বারোটি দল আগামিকাল দেশজুড়ে বারো ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে।

জামাত-এ-ইসলামির ডাকা বনধে সংঘর্ষের জেরে এদিন অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পাবনা।  জেলা কার্যালয়ে ভাঙচুরের প্রতিবাদে শনিবার পাবনায় বারো ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছিল জামাত। সকালেই  জামাত সমর্থকেরা রাস্তায় গাছ ফেলে, টায়ারে আগুন ধরিয়ে অবরোধ শুরু করে। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিসকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিস। কিন্তু জামাত সমর্থকেরা পাল্টা বোমা ছুঁড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি চালায় পুলিস। হামলায় আহত হন কয়েকজন পুলিসকর্মী।

 
হরতাল ও সংঘাতের জেরে সকাল থেকে পাবনা শহরের বিভিন্ন এলাকার দোকানপাট বন্ধ ছিল। দূরপাল্লার কোনও বাস চলাচল না করলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবার বিক্ষিপ্ত হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল চারজনের। জামাতের অভিযোগ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাতিলের দাবিতে তাদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদে রবিবার দেশ জুড়ে বারো ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছে জামাত সহ বারোটি দল। হরতালে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপিও। সোমবার বারো ঘণ্টা বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামে।

 
অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে ঢাকার শাহবাগ স্কোয়ারে অবস্থান চলছে। জামাতকে নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এরপরই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। জামাত সমর্থখরা বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ।
হামলার ঘটনায় পৃথক পৃথক মামলা শুরু করেছে পুলিস। ঢাকা শহরের সংঘর্ষের ঘটনায় এগারোটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে জামাত সমর্থকদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে।

First Published: Saturday, February 23, 2013, 21:39


comments powered by Disqus