এলাহাবাদের পথে রেলমন্ত্রী, পদত্যাগ আজম খানের

Update: February 11, 2013 19:28 IST

এলাহাবাদ রেল স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় কুম্ভমেলার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন আজম খান। আজ সকালেই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান উত্তরপ্রদেশ মন্ত্রিসভার ওই গুরত্বপূর্ণ সদস্য। অন্যদিকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবারই এলাহাবাদের উদ্দেশে রুনা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পবন কুমার বনসল।

এ দিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, "স্টেশনে কোনও ফুট ব্রিজ ভেঙে পড়েনি। আমি এ কথা পরিষ্কার করে দিতে চাই, দুর্ঘটনাটি ঘটে বহু সংখ্যক মানুষের সমাগমের কারণে। কুম্ভ মেলা শুরুর আগে থেকেই আমরা যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম।" তবে এত সংখ্যক পুণ্যার্থীর ভিড় সামলানো সম্ভব হয়নি বলেও স্বোকার করে নেন রেলমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি রেলমন্ত্রক দুর্ঘটনায় মৃত পরিবার পিছু এক লক্ষ টাকা, আহতদের পরিবার পিছু ৫০ হাজার এবং সামান্য আঘাত লেগেছে এমন আহতদের পরিবার পিছু ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে।"

রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান বিনয় মিত্তলও বেলমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।

ঘটনার তদন্তে রেলের রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কমিটি গঠন হয়েছে। তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ঘটনার ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। ঘটনার জন্য রেলের ওপরই দায় চাপিয়েছে শাসক দল সমাজবাদী পার্টি। ঘটনার তদন্ত এবং দুর্ঘটনাগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব বিজেপি নেতৃত্ব।

Post Your Comment

Total Comments:2

Does it matter if one Islamic person leads a committee of Kumbha or Sagar Mela ? Our IAS/IPS/STATE CIVIL SERVICE officers are not given free hand to administrate the affairs properly. The political leaders of the days do not have quality to have vision to run the business. Entire liability lies on them collectively irrespective of state or central.

আজম খান ke দায়িত্ব deoyar janna ato lok mara gelo.hindu der kumbha melar dayitya ekjon muslim ke keno?..রেলমন্ত্রী to amader cm er moto bolche , kichui hoini..``স্টেশনে কোনও ফুট ব্রিজ ভেঙে পড়েনি``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।