শপথ নিলেন বারাক ওবামা

Update: January 21, 2013 22:53 IST

সরকারি শপথগ্রহণ হয়ে গিয়েছেছিল রবিবার। আর সোমবার লক্ষাধিক মানুষের সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন বারাক হুসেন ওবামা। বাইবেলে বাঁ হাত, ডান হাত শপথ-ভঙ্গিতে উপরে তুলে ওয়াশিংটনে ক্যাপিটল প্রাসাদের ঐতিহাসিক সাদা গম্বুজের নিচে ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। শপথ বাক্য পাঠ করালেন দেশের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস।

শপথ গ্রহণ হয়েছিল রবিবারই। তবে তা সংক্ষিপ্ত পরিসরে। আর সোমবার দেশের নাগরিকদের সামনে ফের শপথ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। পাশে ছিলেন স্ত্রী ও দুই কন্যা।

এরপরই দেশবাসীর প্রতি ভাষণ দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতিই যে তাঁর প্রধান লক্ষ্য তা বারবার উঠে এসেছে ওবামার সংক্ষিপ্ত ভাষণে। অভিবাসন নীতির ব্যাপক সংস্কার তাঁর অন্যতম লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন বারাক হুসেন ওবামা।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিডেন রবিবারই শপথ নিয়েছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এনিয়ে সপ্তমবার এমন ঘটনা ঘটল।

মার্কিন সংবিধান অনুসারে ইনোগরেশন ডে অর্থাৎ ২০ জানুয়ারিতেই শপথ গ্রহণ করতে হয় প্রেসিডেন্টকে। কিন্তু ২০ জানুয়ারি রবিবার হওয়ায় হোয়াইট হাউসেই ওবামাকে শপথবাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের চিফ জাস্টিস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই নিয়ে সপ্তমবার এমন ঘটনা ঘটছে। ইনোগরেশন ডে রবিবার হওয়ার কারণে আনুষ্ঠানিক শপথ নেওয়ার পরে জনগণের সামনে ফের শপথ নিতে হচ্ছে প্রেসিডেন্টকে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।