বারাসাতে মহিলা খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়

Update: January 1, 2013 18:00 IST

বারাসতের সোনাখড়কিতে মহিলা খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়।  মৃতার স্বামীকে জোর করে অ্যাসিড খাওয়ানো হয়নি বলে জানিয়েছেন চিকিত্‍সকরা। মহিলার স্বামী এই মুহূর্তে আরজি কর হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন। তাঁর ক্ষতচিহ্ন পরীক্ষা করে চিকিতসকরা জানিয়েছেন, কোনওভাবেই ওই ব্যক্তিকে জোর করে অ্যাসিড খাওয়ানো হয়নি। জোর করে অ্যাসিড খাওয়ানো হলে ওই ব্যক্তির ঠোঁটে বা শরীরের অন্যান্য অংশে ক্ষতের চিহ্ন থাকত। 

তাঁর শরীরে এমন কোনও ক্ষতচিহ্ন মেলেনি। একইসঙ্গে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, বারাসতের মহিলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পিছন দিক থেকে গামছা জাতীয় কোনও কিছু দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করা হয়, ফলে তাঁর ঘাড়ের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। তার ফলেই ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। পরে  মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। চিকিত্সকরা আরও জানিয়েছেন, ওই মহিলার ব্যক্তিগত অঙ্গে আঘাতের কোনও চিহ্ন মেলেনি। অন্যদিকে, খুনের তদন্তভার আজ হাতে নিয়েছে সিআইডি।

Post Your Comment

Total Comments:2

ATAI DIDI MONIR BANGLAR NUTAN PARIBARTAN. NUTAN NEW YEARS UPAHAR.

I HOPE EVERYONE IN WRONG PATH TO FIND OUT SOLUTION. HALF-FILM-STAR TURN ILLITERATE POLITICIAN SHOULD BE ON STAGE AT BARASAT COURT MAIDAN TO ADDRESS THE PROBLEM. AS HE ALSO FOUND SOME WILL OF DIDI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।