খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিস

খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিস

খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিসখুনের ৩ দিনের মধ্যে ৪ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার পর এবার খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করে ফেললেন গোয়েন্দারা। সোমবার আমতলার একটি খাল থেকে উদ্ধার হয় দুটি ছুরি এবং একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় একটি স্ক্রু ড্রাইভার। যদিও এই খুনের রহস্যের কিনারায় এখনও রয়ে গিয়েছে কয়েকটি মিসিং লিংক।

খুনের কিনারা করে ফেলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবার খুনের অস্ত্রও উদ্ধার করে ফেলল কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগ। বেহালার ৪ জনের খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের জেরা করেই তথ্য পেয়েছিল পুলিস। সোমবার দুপুর থেকে সেই অনুসারে তল্লাসি শুরু হয়। কলকাতা পুলিসের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সহায়তায় খালে এবং একটি পুকুরে ডুবুরি নামানো হয়। বেশকিছুক্ষণ জলের মধ্যে তল্লাসি চালানো হয়। আমতলায় মুন্নার বাড়ির কাছাকাছি কেলোপাড়া এলাকায় খাল থেকে উদ্ধার হয় দুটি ছুরি। কিছুটা দূরে দাসপাড়ার পুকুর থেকে উদ্ধার হয় স্ক্রু ড্রাইভার। এই দুটি ছুরি দিয়েই ৪ জনের গলার শ্বাসনালী কাটা হয়েছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। স্ক্রু ড্রাইভারটি ব্যবহার করা হয়েছিল পরিচারিকাকে খুন করার জন্য। খুনে ব্যবহৃত এই অস্ত্রগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।
 
তবে এই খুনের ঘটনায় এখনও রয়ে গিয়েছে বেশকিছু মিসিং লিংক । ভট্টাচার্য পরিবারের ঘনিষ্ট মুন্না টাকা রয়েছে বলে নির্দিষ্ট তথ্য পেয়েই খুনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু টাকা পেল না তারা। টাকা কোথায় গেল? টাকা থাকার বিষয়ে মুন্না এতটা নিশ্চিত ছিল যে, নিজের পরিচয় গোপন করার কোনোও চেষ্টাই করেনি। টাকা পাওয়ার আগেই কেন ৪ জনকে খুন করতে গেল তারা? পরিকল্পনামাফিই যদি এই কাজ করা হয় তবে বাড়িতে কম লোক থাকার সময় অপারেশন চালাতে পারত মুন্না। কেন এই সময়টা বেছে নিয়েছিল সে ?
 
খুনের ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল তাও গোয়েন্দাদের জানা জরুরি। সেই কারণে অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করাবেন গোয়েন্দারা। তার পরেই এই খুনের রহস্যের যাবতীয় কিনারা করা সম্ভব বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।
 

First Published: Monday, September 10, 2012, 21:43


comments powered by Disqus