মত্স্যমন্ত্রীর সামনেই সরব দীঘার মত্স্যজীবীরা

Update: July 28, 2012 19:59 IST

দিঘার মোহনায় পলি তোলার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মত্‍স দফতর। আর তার জেরে মত্স্যজীবীদের রুটিরুজি হারানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এদিন সরকারি অনুষ্ঠান চলাকালীন, মত্স্যমন্ত্রীর সামনেই এই অভিযোগে সরব হলেন মত্স্যজীবীরা। তাঁদের অভিযোগ, মোহনার খালে চড়া পড়ে যাওয়ায় মাছ ধরা কার্যত বন্ধ হওয়ার মুখে।

দিঘার মোহনায় ড্রেজিংয়ের জন্য পূর্বতন বাম সরকার ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। মত্স্যজীবীদের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে দিঘার মোহনা থেকে পলি তোলার কাজটি পুরোপুরি উপেক্ষিত। তার জেরে চরম সমস্যায় পড়েছেন মত্স্যজীবীরা। স্থানীয় মত্স্যজীবী সংগঠনের সভাপতি প্রণব করের অভিযোগ, মোহনায় পলির চড়া পড়ে পড়ে এমন অবস্থা হয়েছে, যে মত্স্যজীবীরা লঞ্চ বা ট্রলার নিয়ে সেখানে ঢুকতেই পারছেন না। পূর্বতন সরকার পলি তোলার জন্য দুকোটি টাকা বরাদ্দ করলেও, নতুন সরকার তার সদ্বব্যবহার করছে না। ড্রেজিংয়ের বদলে নিছক মাটি কাটিয়ে দায়সারা ভাবে কাজ সারা হচ্ছে বলেো জানান তিনি।

শুক্রবার দিঘায় সরকারের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মত্স্যমন্ত্রী আবু হেনা। অবিলম্বে ড্রেজিং শুরুর দাবিতে দিঘা, শঙ্করপুরের মত্স্যজীবীরা তাঁর সামনেই বিক্ষোভ দেখান। মত্স্যজীবীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন আবু হেনা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।