চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে রঞ্জিতে ভাল জায়গায় বাংলা

Update: November 3, 2012 20:31 IST

ইডেনে রাজস্থানের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে দ্বিতীয়  দিনের শেষে বেশ ভাল জায়গায় বাংলা। এদিন সকালে বাংলার ইনিংস ২৫৮ রানে শেষ হয়। এরপর রাজস্থান ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে চার উইকেটে ৬৩ রান তুলেছে। স্বল্প আলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই খেলা বন্ধ করে দেন আম্পায়াররা।

লক্ষ্মীরতন শুক্লা থেকে অনুষ্টুপ মজুমদাররা ব্যর্থ হলেও বাংলাকে মোটামুটি ভদ্রস্থ জায়াগায় নিয়ে যান ঋদ্ধিমান সাহা। শিলিগুড়ির এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান করেন ৫৯ রান। বল হাতে বাংলাকে ভাল জায়াগায় নিয়ে যান সৌরভ সরকার ও লক্ষ্মীরতন শুক্লা। দুজনেই দুটি করে উইকেট নেন।

বাংলা অধিনায়ক মনোজ তেওয়ারির মতে তৃতীয় দিনের সকালটা তাঁদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পিচের প্রশংসা করে মনোজ বলেন এই পিচে বাউন্স আছে। তিনি মনে করেন এই পিচে বড় রান করা উচিত ছিল তাঁর। এদিন নির্বাচক সাবা করিমের সামনে পাঁচ উইকেট নিতে পেরে খুশি রাজস্থানের পেসার পঙ্কজ সিং।

এদিকে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আরও এক ব্যাটসমান শতরান করলেন। মুম্বইয়ের হয়ে সচিন, রাহানের পর শতরান করলেন অভিষেক নায়ার। ত্রিফলা শতরানের সুবাদে মুম্বই প্রথম ইনিংসে করল ৫৭০ রান। হরভজনের পাঞ্জাব আবার ভিভিএস লক্ষ্মণের হায়দ্রাবাদকে চেপে ধরেছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।