লক্ষ্মীর জোরে বিজয় হাজারে বিজয় বাংলার

Update: March 12, 2012 18:17 IST


বিজয় হাজারে ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হল বাংলা। ফাইনালে মুম্বইকে ছয় উইকেটে হারাল তারা। প্রথমবার বিজয় হাজারে ট্রফি জিতল বাংলা। প্রথমে ব্যাট করে ২৪৮ রান তোলে মুম্বই। বল হাতে ৪ উইকেট নেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি বাংলার। সৌরভ আর শ্রীবতস জুটি বাংলাকে লড়াইয়ে ফেরান। সৌরভ ৩৮ রান করে আউট হন। ফিরোজ শাহ কোটলায় অনবদ্য ব্যাটিং করেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ১০৬ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাকে দুরন্ত জয় এনে দেন বাংলার এই অলরাউন্ডার। সৌরভের নেতৃত্বে এই প্রথম কোনও সর্বভারতীয় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হল বাংলা।





Post Your Comment

Total Comments:9

MAHARAJ PROVES HE IS THE ONLY SKIPPER NOT ONLY OF BENGAL BUT ALSO OF OUR NATION.CONGRATULATION TO (DADA`S )TEAM BENGAL, LAKKHI IS OUR LAKKHI CHELE. I AM WATCHING BENGALS CRICKET FROM THE PERIOD PALASH NANDI , MICHAEL DALVI.BARUN BARMAN,DILIP DOSHI, I REMEMBER WHEN SOURAV & SENHASISH BATTED TOGETHER FOR BEGAL IN RANJI AT EDEN GARDEN .THERE ARE VERY FEW TIMES I WATCH TEAM BENGALS FIGHTING SPIRIT . THIS WIN IS ONE OF THEM.NOW I AM 47,MY SON JONTY HE IS TO MUCH FOND OF MAHARAJ .HE BOWLED LEFT HAND MEDIUM PACER HE IS NOW 20. I WISH TEAM BEGAL’S LONG SUCCESS

congratulations of all team players of bangla for excellent success.

congratulations of all team players of bangla for excellent success.

congratulations of all team players of bangla for excellent success.

OUT STANDING PERFOMANCE.I WANT LAXMI IN PLAY IN INDIA.

inspiring. Congrates to the Leader and all the associates on this magnificent success. My warm wishes.

HEARTY CONGRATULATIONS TO ALL THE TEAM MEMBERS....

Gr8 Match...Congrats..........

Anek din par khabor rekhechilam cricketer, tao india-r noy sudhui banglar. Thank you Souravs. Laxmi ra pare, sudhu bhorosa tukur darkar chilo. Thank you SOURAV.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।