সাংহাইয়ের ফাইনালে মুখোমুখি লি-হেশ

Update: October 13, 2012 20:00 IST

বিশ্ব টেনিসের অন্যতম মুখরোচক লড়াইটা বেঁধে গেল সাংহাই মাস্টার্সের ডাবলস ফাইনালে। সাংহাইয়ে খেতাব জয়ের লড়াইয়ে মুখোমুখি ভারতীয় টেনিসের যুযুধান দুই পক্ষ মহেশ ভূপতি-রোপন বোপান্না বনাম লিয়েন্ডার পেজ। অলিম্পিকে মহাবিতর্কের পর এই প্রথম লিয়েন্ডারের বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন ভূপতি-বোপান্নারা। স্বাভাবিকভাবেই এই ফাইনালকে ঘিরে আলাদা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অলিম্পিকে লিয়েন্ডারের বিরুদ্ধে খেলতে না চেয়ে বিদ্রোহ করে বসেছিলেন ভূপতি-বোপান্না।

তাই রবিবার ফাইনালটা লিয়েন্ডারের কাছে প্রতিশোধের। আবার লিয়েন্ডারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেই ভারতীয় টেনিসে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন ভূপতি-বোপান্না, তাই দুজনের কাছেই রবিবারের ফাইনালটা সম্মানরক্ষার। লিয়েন্ডার খেলবেন রাদেক স্টেপানেককে নিয়ে। সেমিফাইনালে লিয়েন্ডাররা হারালেন মার্লিন চিলিচ-মার্সেলো মেলোকে ৬-০,৬-২।
অন্যদিকে হেশ-বোপান্না জুটি কলিন ফ্লেমিং-রস হাচিন্সের বিরুদ্ধে জিতলেন ৬-৭,৬-৩,১০-৮।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।