রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ বিমানের, ১৭ নভেম্বর বামেদের সভা

Update: November 13, 2012 18:09 IST

রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। পরিবহণ থেকে জমিঅধিগ্রহণ কেন্দ্র করে পুলিসের গুলি চালনা সহ বেশ কিছু প্রসঙ্গ উঠে এল তাঁর বক্তব্যে। বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তাঁর অভিযোগ, নতুন ভাড়া কী হবে তা নিয়ে মানুষ বিভ্রান্ত। ফলে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। তাঁর দাবি, বিভ্রান্তি কাটাতে সংবাদমাধ্যমে এবিষয়ে বিজ্ঞাপন দিক রাজ্য সরকার।

দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে গুলি চালানোর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করলেন বামফ্রন্ট চেয়াম্যান বিমান বসু। ওই ঘটনায় আহতদের চিকিত্‍সার খরচ সরকারেরই বহন করা উচিত বলে দাবি করেন তিনি। সিউড়িতে নার্সিংহোমে হামলার ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সরকার নিষ্ক্রিয় থাকাতেই রাজ্যে দুষ্কৃতীরাজ মাথা চাড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এর সঙ্গেই রাজ্যের মহিলাদের একের পর এক আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে শনিবার রানি রাসমনি রোডে সমাবেশ করবে বামেরা। ওই সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতেই মঙ্গলবার বৈঠকে বসছেন বামফ্রন্ট নেতারা।

১৭ নভেম্বরের সমাবেশকে ব্যাপক চেহারা দিতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের বিরোধী শিবির। সেই প্রস্তুতির খুঁটিনাটি নিয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে। শুধু বামফ্রন্টের শরিক দলগুলিই নয়, তাদের গণসংগঠনগুলিকেও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে এই দিনের সমাবেশে। এমনকী, মহিলাদের অধিকার নিয়ে কাজ করে, এরকম সংগঠনকেও শনিবারের সমাবেশে উপস্থিত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে বামফ্রন্টের তরফে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।