মাকে পুড়িয়ে মারল ছেলে

Update: March 8, 2013 20:29 IST

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মাকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল ছেলের  বিরুদ্ধে। ওই সন্তান আবার পেশায় শিক্ষক। গতকাল মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুরে। মৃতার নাম সুনন্দা চৌধুরী। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় সুনন্দা দেবীর। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সুনন্দা দেবীর ওপর অত্যাচার  চালাতেন ছেলে মৃন্ময় চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী। অভিযুক্ত পুত্র মৃন্ময় চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী স্বরূপাকে আটক করেছে পুলিস।

বোলপুরের এই বাড়িতেই মা সুনন্দা চৌধুরীর সঙ্গে থাকতেন পেশায় স্কুল শিক্ষক মৃন্ময় চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী স্বরূপা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘরের ভিতরে  অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সুনন্দা দেবীকে পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর। যদিও সুনন্দা দেবীর পুত্রবধূর দাবি, তাঁর শাশুড়ি নিজেই গায়ে আগুন দিয়েছেন।
 
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ৫৮ বছরের সুনন্দা দেবীকে পুড়িয়ে মেরেছেন মৃন্ময় চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী স্বরূপা।  বাবাকেও খুনের অভিযোগ উঠেছে মৃন্ময়  চৌধুরীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত মৃন্ময় চৌধুরীকে আটক করে পুলিস। পরে আটক করা হয় মৃন্ময় চৌধুরীর স্ত্রীকেও।  

 

Post Your Comment

Total Comments:6

Mrinmoy er moto teacher teacher somajer kalonko.

bhaloe hoyechhe bechari mukti pelo ei norok jontrona theke, aar putro/putro bodhur kartobyo chhilo oi briddho maa ke seba jotno korar, tai onara jokhon baarite thakbenna , jodi hothat konodin briddha mara jay tahole mukhagini korte putro sujoge petona tai o thik korechhe maa ke jentto mukhaggini kore, sabas ! maayer sontan tumi dirghojibi hoy!

Amer mon bole or chakri kare neoa utchit..

I agree with Subhankar.this is really hearted for all the people of the world.

Amar Mote Mrinmoy Ke Gram Basider Mere Fela Uchit Chilo Police Asar Aage. Karon Era Somajer Cancer.

Ekhono Oke Bachiye Rakha Hoyeche Kar Sarthe?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।