বিজেপি ৭০ শতাংশ স্বচ্ছ, দাবি যশবন্ত সিনহার

Update: January 15, 2012 17:07 IST

বিজেপি `ধোওয়া তুলসি পাতা` নয়। দুর্নীতির বিষয়ে নিজের দলের সম্বন্ধে কার্যত স্বীকার করলেন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে যশবন্ত সিন্হার বক্তব্য, দুর্নীতির প্রশ্নে তাঁর দল ১০০ শতাংশ স্বচ্ছ নয়। জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে দুর্নীতি ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবু সিং কুশওয়াকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এদিন যশবন্ত সিনহার বলেন, `প্রত্যেক দলকেই কিছু বাস্তব ভাবনার সঙ্গে আপোষ করতে হয়।` দুর্নীতির প্রতিবাদে জোর সরব হচ্ছে না তাঁর দল। বিজেপির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করে গত বছর অগস্টে দল থেকে পদত্যাগের হুমকি দিয়েছিলেন সিনহা। সম্প্রতি বহুজন সমাজ পার্টি থেকে বিতাড়িত বাবু সিং কুশওয়াকে দলে নেওয়ায় ঘরে বাইরে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে বিজেপি। দলের সমালোচনায় সরব হন যশবন্ত সিনহাও। তবে এদিন সমালোচনার সুর নরম করে এদিন তাঁর দাবি, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও মানের দিক থেকে এখনও তাঁর দল অন্যদলগুলোর থেকে আলাদা। তিনি বলেন, ` সংসদীয় গণতন্ত্রে সব দলকেই কিছু কিছু আপোষ করতে হয়।` স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রশ্নে যশবন্ত সিনহার দাবি, বিজেপি ৭০ শতাংশ স্বচ্ছ। অন্যদলগুলো ২০ শতাংশ স্বচ্ছ। তাই এখনও বিজেপি অন্য দলগুলোর থেকে আলাদা।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।