প্রতিবাদে পুলিসি পদেক্ষেপ, নিন্দায় বিজেপি

Update: December 22, 2012 16:45 IST

দিল্লি গণধর্ষণ ঘটনায় বিশেষ অধিবেশনের দাবি জানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেত্রী সুষমা স্বরাজ। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি শনিবার টুইট করেন। ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা হওয়া উচিত কিনা তা নিয়ে বিশেষ অধিবেশনের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী তাঁর টুইটে। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন সুষমা।  

দিল্লিতে গণধর্ষণের প্রতিবাদকারীদের ওপর  লাঠি, জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস চালানোয় দিল্লি পুলিসের কড়া সমালোচনা করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি মুখপাত্র রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, "দিল্লি ধর্ষণের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে।" সে কারণেই দিল্লির তরুণ সমাজ এতটা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন রবি শঙ্কর।

রাইসিনা হিলসের সামনে ছাত্রদের জমায়েতের ওপর পুলিসি পদক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে সরকারের এ বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিজেপি নেতা প্রসাদ বলেন, "তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। সেইসঙ্গে জলকামানও প্রয়োগ করা হয়। পুলিসের এই গোটা পদক্ষেপের সমালোচনা হওয়া উচিৎ।" বিজেপি দলের তরফেও এই ঘটনার নিন্দা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।






Post Your Comment

Total Comments:1

Delhi is become a rapist capital.Also the police is also victim to support the rapist.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।