বিজেপির কার্যকরী কমিটির বৈঠকে মূল আকর্ষণ সেই মোদি

Update: March 1, 2013 10:40 IST

দু`হাজার চোদ্দো সালের লোকসভা ভোটে দলের রণকৌশল ঠিক করতে আজ নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসছে বিজেপির জাতীয় কার্যকরী কমিটি। দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য বিষয়বস্তু হল আগমী নির্বাচনে বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম নির্বাচন। দৌড়ে অন্যদের থেকে অনেকটা এগিয়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৈঠকে দ্বিতীয় দফায় বিজেপি সভাপতি হিসেবে রাজনাথ সিংকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে এবছর যেসব রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে, তার প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হবে। যার মধ্যে অন্যতম হল কর্নাটক। দক্ষিণ ভারতের এই একটি রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তবে এখানে কংগ্রেস ও জেডিএস ছাড়াও বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি, বিক্ষুদ্ধ নেতা বিএস ইয়েদ্দুরাপ্পা। কর্নাটকের পাশাপাশি এবছর বিধানসভা ভোট রয়েছে দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়ে। ভোট প্রস্তুতি ছাড়াও বৈঠকে সাধারণ বাজেট, হায়দরাবাদে জোড়া
বিস্ফোরণের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা, ভারত-পাক সম্পর্ক, চপার দুর্নীতি সহ ক্ষমতাশীন ইউপিএ সরকারের বিভিন্ন কেলেঙ্কারী ও দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা হবে বিজেপির জাতীয় কার্যকরি কমিটির বৈঠকে। বৈঠকে দলের সমস্ত নেতা-কর্মী।

বৈঠকের পর দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তালকাতোরা স্টেডিয়ামের এনডিএমএস কনভেনশন সেন্টারে এই বৈঠক হবে। এরপর শনি ও রবিবার বিজেপির ন্যাশনাল কাউন্সিলের বৈঠক।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।