ভোটাভুটির দাবিতে অনড় বিজেপি

Update: November 28, 2012 20:05 IST

এফডিআই ইস্যুতে সংসদে ১৮৪ ধারায় ভোটাভুটি সহ আলোচনার দাবিতেই অনড় থাকল বিজেপি। এফডিআই জট কাটাতে আজ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কমল নাথ। ১৮৪ ধারায় ভোটাভুটি সহ আলোচনার দাবি থেকে বিজেপিকে সরে আসার অনুরোধ জানান সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কমল নাথ। আলোচনার পর বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ জানিয়েদেন এফডিআই ইস্যুতে ১৮৪ ধারার দাবি থেকে সরতে রাজি নন তারা।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কমলনাথ জানিয়েছেন,  জনস্বার্থে সংসদ সচল রাখার যুক্তিকে সামনে রেখে বিজেপিকে ১৮৪ ধারা থেকে সরে আসার আবেদন জানান তিনি। বিজেপি শিবিরে যাওয়ার পাশাপাশি আজ লোকসভার অধ্যক্ষ মীরা কুমারের সঙ্গেও দেখা করবেন কমল নাথ। গতকালই ইউপিএ সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে ডিএমকে। তারপরে ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের বিষয়ে সরকার এখন অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী। কংগ্রেসের তরফে সেকথাও অধ্যক্ষকে জানানো হবে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।