'গেরুয়া সন্ত্রাস' মন্তব্যে শিন্ডের উপর চাপ বাড়াল বিজেপি

Update: January 21, 2013 18:16 IST

বিজেপি, আরএসএস, কংগ্রেস। ফের একবার বাকযুদ্ধে দেশের প্রথম সারির তিন রাজনৈতিক শিবির। এবার `গেরুয়া সন্ত্রাস` নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের করা মন্তব্যকে ঘিরে। জয়পুরে কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরের শেষ দিনে দেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমনন্ত্রী বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় সয়মসেবক সংঘকে একহাত নেন। শিন্ডের রায় ছিল, `গেরুয়া সন্ত্রাসে` মদত দিচ্ছে বিজেপি ও আরএসএস। সমঝোতা এবং মালেগাও বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় বিজেপিও জড়িত। তা থেকেই সন্ত্রাসে বিজেপির মদত স্পষ্ট হয়ে যায় বলে দাবি করেন শিন্ডে।

এই ঘটনায় ইউপিএকে আক্রমণ শানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যগের দাবি পদত্যাগের দাবি জানাল বিজেপি। অবিলম্বে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ। সোমবার রবি শঙ্কর বলেন, "স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের আমরা নিন্দা করছি। তিনি নিজেই জানেন না কী বলছেন তিনি।" একই সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর ক্ষমা ও শিন্ডের পদত্যাগেরও দাবি জানিয়েছেন এই বিজেপি নেতা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর করা `গেরুয়া সন্ত্রাস` তত্তের জবাব দিতে প্রসাদ বলেন, "গেরুয়া জাতীয় পতাকার রঙ। কীভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেটিকে সন্ত্রাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতে পারেন?" তিনি আরও বলেন, "আমরা কখনই বলিনি, `মুসলিম সন্ত্রাস`। কারণ সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না।"

বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, শিন্ডের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে দেশব্যাপী প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলবেন তাঁরা। সেই মর্মে ২৪ জানুয়ারি একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব। সোনিয়ার ব্যাখা দাবি করে রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেন, "আমরা জানতে চাই কংগ্রেসও কী শিন্ডের বক্তব্যকে সমর্থন করে?"





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।