বর্ষসেরা অ্যাথলিট বোল্ট

Update: November 24, 2012 22:40 IST

বর্ষসেরা অ্যাথলিট নির্বাচিত হলেন উসেইন বোল্ট। আন্তর্জাতিক অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের বিচারে বর্ষসেরা হয়েছেন তিনি। এই নিয়ে চারবার বর্ষসেরার খেতাব পেলেন বোল্ট। আন্তর্জাতিক অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের বিচারে বর্ষসেরা অ্যাথলিট নির্বাচিত উসেইন বোল্ট।  এই নিয়ে চারবার এই শিরোপা পেলেন জামাইকার এই কিংবদন্তি স্প্রিন্টার। এর আগে এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন ২০০৮, ০৯ এবং ১১ সালে।
এবছর লন্ডন অলিম্পিকে ১০০, ২০০ এবং ৪/১০০ রিলেতে সোনা জিতেছিলেন বোল্ট। এমনকি এবছর অলিম্পিকে ১০০ মিটারে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। বোল্ট জানিয়েছেন চতূর্থবার এই সম্মান পেয়ে তিনি গর্বিত। এবছর অলিম্পিককে পাখির চোখ করেছিলেন তিনি। তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। কারণ অলিম্পিকের আগে বেশ কিছু প্রতিকুলতার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এই পুরস্কার জয়ের পর তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর কোচ এবং সমর্থকদের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।