বিতর্কে বইমেলা

Update: January 31, 2012 20:27 IST

এবারও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না কলকাতা বইমেলার। মিলন  মেলা প্রাঙ্গনে বইয়ের স্টলের সংখ্যা কমে যাওয়ায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ পুস্তক বিক্রেতা, প্রকাশকরা। অভিযোগ, বইয়ের স্টলের জায়গা কমিয়ে এবারের মেলার মূল প্রাঙ্গণে জায়গা দেওয়া হয়েছে একাধিক বেসরকারি ব্যবসায়িক সংস্থাকে। অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েই বইমেলা কর্তৃপক্ষের দাবি, বাড়তি লাভের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। এবছর বইমেলায় বিভিন্ন ছোটছোট প্রকাশনা সংস্থার ৪০টি স্টল বাদ দিয়েছেন গিল্ডকর্তারা। মূল মেলা প্রাঙ্গণে যে ৭৮২টি স্টল হয়েছে তার মধ্যে প্রায় ২৫টি স্টলের সঙ্গে বইয়ের কোনও যোগই নেই। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাঙ্ক,  হাসপাতাল, বা ট্যাঁকশালের স্টল। বইমেলা প্রাঙ্গণেই জায়গা পেয়েছে একাধিক বেসরকারি ব্যবসায়িক সংস্থার স্টলও। পৃথক ফুড কোর্ট থাকা সত্ত্বেও মূল মেলা প্রাঙ্গনেই জায়গা পেয়েছে ক্যাটারিং সংস্থাও। গিল্ডের যুক্তি, বাড়তি লাভের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।