নৃশংস কন্ডাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল ছাত্রের

Update: October 17, 2012 14:31 IST

ভাড়া না দেওয়ার অভিযোগে তিন স্কুলছাত্রকে বাস থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কন্ডাক্টরের বিরুদ্ধে। ওই ৩ ছাত্রের মধ্যে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার জিটি রোডে।

এই ঘটনা ঘটার পরেই চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে নেমে যায় চালক। যাত্রীসহ বাসটি ধাক্কা মারে একটি দোকানে। উত্তেজিত জনতা বাসটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বাসটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবরোধ শুরু হয় জিটি রোডে। পুলিস বাসটিকে সরানোর চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাধে । পুলিস প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এধরনের ঘটনা ঘটছে। বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি পুলিস প্রশাসন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।    

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।