ধর্মঘট প্রসঙ্গে ফের বিতর্কে ব্রাত্য

Update: February 10, 2013 23:04 IST

মুখ্যমন্ত্রী ধর্মঘটের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখলেও ধর্মঘটের অধিকার নিয়ে ফের একবার মুখ খুলললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সেন্ট লরেন্স স্কুলে একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী রবিবার বলেন, ধর্মঘট একটি গনতান্ত্রিক ব্যাপার। ধর্মঘটের দিন কাজে যাওয়া বা না যাওয়া যে কোনও ব্যক্তির ইচ্ছা। তাঁর সংযোজন, সরকার বা কর্তৃপক্ষ আগে থেকে আসার নির্দেশ দিলে  যদি কেউ না মানে তাহলে সরকারেরও মাইনে কাটার অধিকার আছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে যা গনতান্ত্রিক অধিকার তার খর্ব করে সরকারই বা কেন নির্দেশ জারি করছে। 

বনধের দিন যেকোনও ব্যক্তিরই কলেজে যাওয়া না যাওয়ার অধিকার আছে। গতবছর সারাভারত শিল্প ধর্মঘট নিয়ে এমন মন্তব্য করে রীতিমত বিতর্ক তৈরি করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। খোদ মুখ্যমন্ত্রী যেখানে ধর্মঘটের বিরুদ্ধে বলছেন, সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। আর এই বক্তব্যের জেরে শিক্ষামন্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও শোনা যায়। এবারও ফের একবার ধর্মঘটের অধিকারে পক্ষে সওয়াল করলেন শিক্ষা মন্ত্রী।  রবিবার সেন্ট লরেন্স স্কুলের ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী ফের বলেন, ধর্মঘট একটি গনতান্ত্রিক ব্যাপার। সেক্ষেত্রে সেদিন কারও কাজে যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার অধিকার আছে।

তবে গতবারের বিতর্ক থেকে শিক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর এবারের সংযোজন- ধর্মঘট নিয়ে সরকার বা কর্তৃপক্ষ আগে থেকে কোনও নির্দেশ দিলে তা মানতে হবে। সেক্ষেত্রে কেউ তা মানলে মাইনে কাটারও অধিকার গনতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে শিক্ষামন্ত্রী নিজেই যখন বনধকে গনতান্ত্রিক অধিকার বলছেন তখন তাঁর সরকার কেন গনতান্তিক অধিকারের বিরুদ্ধে নির্দেশ জারি করছে? তবে কি বিশ্বাস আর কাজের মধ্যেই পার্থক্য রয়েছে? 

Post Your Comment

Total Comments:6

শিক্ষার দায়িত্ব এমন ছাগলদের হাতে থাকলে ভয়ংকর বিপদ।

Sarkar thik kaj korche j kono somaj birodi kaj k somorthon kore na.. Tai koto gulo baje rajnoitik dol er ai faltu natok(bondh)er birodita kore sarkar akebare thik kaj koreche.. J dol ai bondh korche tarder r kono to kaj nei. tai somaj k baje pothe chalona korai hoche ai doler prodhan kaj..

APNER BOKTOBYAI PORISKAR JE APNI JE SARKARER MONTRI SAISARKAR GONOTANTRIK ADHIKAR KHARBO KORCHE, JA SAIRATANTRIK SASONER NAMANTOR. NATOKER DAILOG DIYE AR KOTODIN CHALABEN?

BRATYA BABU NATOK KORA AR RAJNITI KORA EK NOY.

Goondami kore collage A collage A SFI Studentder nomination paper tulte naa deoyata Trinomuli chhatra porisoder ganatantrik odhikar taito Bratyo mohashoy? Ei prosnota 70-77 saale chhilo jakhon Priyo-Subrotora cong(I) korto.

BARTYOR MOTO MAMATAR CHAMCHADER AI DOSAI HOI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।