সংসদ নয়, স্কুলই নেবে পাস-ফেলের সিদ্ধান্ত

Update: December 19, 2012 12:53 IST

সন্তোষপুরের ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যাপীঠে  নতুন করে পরীক্ষা নয়। এমনই নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কোনওরকম ভুল-ত্রুটি থাকলে তা সমাধানের ব্যবস্থাও করবে সংশ্লিষ্ট স্কুল। এ বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এই নির্দেশের পাশাপাশি স্কুলে এধরনের আন্দোলন যে সরকার একেবারেই সমর্থন করে না, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ব্রাত্য বসু।

যদিও সংসদের তরফে এধরনের কোনও নির্দেশ এখনও তাঁরা পাননি বলে জানিয়েছেন ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যাপীঠের প্রধানশিক্ষিকা।

এ বছর উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় সন্তোষপুরের ঋষি অরবিন্দ স্কুলের ২৯জন ছাত্রী অকৃতকার্য হয়। পাস করানোর দাবিতে সোমবার রাত থেকে বিক্ষোভ শুরু করে তাঁরা। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা চলতে থাকে ঘেরাও। মঙ্গলবার সকালে স্কুলে পৌঁছন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব অচিন্ত্য কুমার পাল ও পরীক্ষা নিয়ামক মলয় রায়। শিক্ষিকা, ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে নতুন করে খাতা দেখার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সংসদের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ঘিরে তোলপাড় শিক্ষামহল। তাঁদের প্রশ্ন, এবার থেকে রাজ্যের যেকোনও স্কুলে এধরনের ঘটনা ঘটলেই কি হস্তক্ষেপ করবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ? এর পর যাঁরা টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করেছে তাদের প্রত্যেকেরই ফের পরীক্ষা নিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

Post Your Comment

Total Comments:1

The H.S. Council has surrendered to people`s criticism.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।