কলকাতায় লজ্জার ব্রাজিল ম্যাচ

Update: December 9, 2012 12:26 IST

ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা দেখল কলকাতা। প্রাপ্য টাকা না পাওয়ায় মাঠে নামতে চাননি দুঙ্গারা। ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্রের হস্তক্ষেপে লজ্জার মুখ থেকে বাঁচল কলকাতা। মদন মিত্রের হস্তক্ষেপে এক ঘন্টা দেরিতে শুরু হয় ম্যাচ। জোগাড় করা টাকা এবং প্রতিশ্রুতির পর যুবভারতীতে কোনওরকমে শেষ হল ব্রাজিল মাস্টার্স এবং অলস্টারের ম্যাচ। এর প্রধান কারণ পরিকল্পনার অভাব এবং বিশৃঙ্খলা।

শুক্রবার সকালে কলকাতায় আসার পর থেকেই বিশৃঙ্খলার মুখে পরতে হয়েছিল ব্রাজিলের কিংবদন্তি তারকাদের। তা কার্যত চরমে পৌঁছয় শনিবার দুপুরে। প্রাপ্য টাকা না পাওয়ায় স্টেডিয়ামে আসতে অরাজি ছিলেন দুঙ্গা, বেবেতোরা। শেষপর্যন্ত ক্রীড়ামন্ত্রী স্বয়ং টাকা জোগাড় করে বেবেতোদের হাতে তুলে দেওয়ার পর বিকেল তিনটে নাগাদ ধাপে ধাপে স্টেডিয়ামে আসেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকারা। ম্যাচের পর চরম অব্যবস্থা এবং দেশে ফেরার টিকিট হাতে না পাওয়ায় নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দেন ব্রাজিলিয়ান তারকারা।
 
এই ম্যাচে ব্রাজিল মাস্টার্স তিন-এক গোলে হারায় অল স্টার একাদশকে। ব্রাজিল দলের হয়ে গোল করেন বেটো, বেবেতো আর দুঙ্গা।

Post Your Comment

Total Comments:1

AMADER KRIRAMONTRIR ``MADAN`` MITTRER BABOSTYAPONA.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।