মোহনবাগান ছাড়ছেন ব্যারেটো

Update: April 25, 2012 23:44 IST

মোহনবাগানের সবুজ-মেরুন জার্সি ছেড়ে এবার ভবানীপুরের জার্সি গায়ে চাপাতে চলছেন হোসে রামিরেজ ব্যারেটো। বুধবার ভবানীপুর ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সারেন মোহনবাগানের ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার। শোনা যাচ্ছে ভবানীপুরে খেলার ব্যাপারে নাকি সম্মতিও জানিয়েছেন তিনি। যদিও সরকারীভাবে এখনও চুক্তি করেননি মোহনবাগান অধিনায়ক।

১৯৯৯ সালে গ্রেমিও থেকে মোহনবাগানে এসেছিলেন ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার। তারপর মালয়েশিয়া আর মহিন্দ্রা ঘুরে ২০০৬ সালে আবার মোহনবাগানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তারপর টানা ৬ মরসুম সবুজ-মেরুন জনতার শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় ভরসা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অবশেষে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হতে চলেছে তাঁর।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।