প্রয়াত প্রাক্তন মেয়রকে শেষ শ্রদ্ধা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যের

Update: January 22, 2013 12:12 IST

প্রয়াত প্রাক্তন মেয়র কমলকুমার বসুর বলরাম ঘোষ স্ট্রিটের বাড়িতে গিয়ে আজ শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।  আজ তাঁর মরণোত্তর দেহ দান করা হবে।

এরপর পল্লিমঙ্গল সোসাটি, সুতানটি পরিষদ, ফেডারেশন হল কলকাতা হাইকোর্ট,  কলকাতা পুরসভা হয়ে দেহ নিয়ে যাওয়া হবে সিপিআইএম সদর দফতর মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে। প্রাক্তন মেয়রের দেহ দান করা হবে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে। গতকাল বেলা একটা নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন মেয়র কমলকুমার বসু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। গত ১০ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রাক্তন মেয়রকে। সেরিব্রো ভাসকুলার নিউমোনিয়া সেপ্টিসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। কোমায় চলে গিয়েছিলেন তিনি।

১৯৫২ সালে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন কমল কুমার বসু। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কলকাতা পুরসভার মেয়র ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন রাজ্য স্পোর্টস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।