আজ শুরু বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব

Update: April 24, 2012 09:51 IST

মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব। ওড়িশা, ছত্তিসগড়ে মাওবাদী সন্ত্রাস, অভিষেক মনু সিংভির বিতর্কিত সিডি থেকে শুরু করে আর্থিক সংস্কারের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে অধিবেশন। বাজেট অধিবেশনের রণকৌশল ঠিক করতে সোমবার রাতে নিজেদের মধ্যে বৈঠকে করেন বিজেপি ও সিপিআইএম নেতারা। পেনশন, ব্যাঙ্ক, বিমাক্ষেত্রে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির বিরোধিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিপিআইএম সাংসদ বাসুদেব আচারিয়া।    

একদিকে, বিরোধিদের সামাল দেওয়া। অন্যদিকে, শরিকদের অসন্তোষ দূর করা। বাজেট অধিবেশনের আগে স্বস্তিতে নেই কেন্দ্র। আর্থিক সংস্কার কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে ব্যাঙ্ক, বিমা ও পেনশন বিল পাশ করাতে চাইলেও একার জোরে তা করার ক্ষমতা নেই কংগ্রেসের। শরিকরাও সবক্ষেত্রে সরকারের পাশে নেই। প্রধানমন্ত্রীর কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়লেও আটই মে-র মধ্যে বাজেট প্রস্তাব ও অর্থ বিল পাশ করানো সম্ভব হবে বলে কেন্দ্রের তরফে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। ইউপিএ জোটের কাছে গোদের উপর বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিষেক মনু সিংভি`র বিতর্কিত সিডি কাণ্ড। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে চেপে ধরতে তৈরি বাম-বিজেপি সহ বিরোধীরা। বিভিন্ন ইস্যুতে অ-কংগ্রেসি দলগুলির সঙ্গে তাঁরা ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সিপিআইএম সাংসদ বাসুদেব আচারিয়া।
 
সিপিআইএমের পাশাপাশি গতকাল দিল্লিতে লালকৃষ্ণ আদবানীর বাড়িতে বৈঠকে বসেন বিজেপি সাংসদরা। বৈঠকে স্থির হয়, সরকারকে চেপে ধরতে আর্থিক সংস্কার, মাওবাদী সন্ত্রাস ও প্রতিরক্ষা নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানাবেন তাঁরা। বিরোধিতা করবেন বিভিন্ন বিলের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।