বুদ্ধদেবের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ হাইকোর্টে

Update: March 6, 2013 15:50 IST

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের করা মানহানির মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি মামলা গ্রহণের পর নির্দেশ দেন আগামী এক মাসের মধ্যে মামলার মূল সারাংশ যেন রাজ্যের দুটি বহুল প্রচারিত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সততার প্রতীক‍, একথা মানেন না তিনি। ২৪ ঘণ্টার স্টুডিওয় ৬ ফেব্রুয়ারি একান্ত সাক্ষাত্‍কারে এই মন্তব্য করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলার হুমকি দেয় তৃণমূলের আইনজীবী সেল। নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে চিঠিও পাঠানো হয় সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে।।
 
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আইনজীবীর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় মানহানিকর কোনও মন্তব্য করেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। চাইলে তৃণমূল আদালতে যেতে পারে। তৃণমূলের আইনজীবী সেলের পাঠানো চিঠিতে যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল তা পেরিয়ে গেছে। সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেই মানহানির মামলা করেন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়।







Post Your Comment

Total Comments:5

আমরা বামফ্রন্ট ২০১১ সালে হেরে গেছি। বুদ্ধ দেব ভট্টাচার্য বিভিন্ন জনসভায়, টিভি চ্যানেলে স্বীকার করেছেন জমি নীতি ও পদ্ধতি ভুলের কারণে এই হার। বুদ্ধ দেব বাবু বলেন “আমরা শুধরে গেছি, এই ভুল আর কখন হবে না”। বাংলার বন্ধুরা একটু ভাবুন বিড়ি, সিগারেট পান করা স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর এবং ক্যানসারের কারণ। চিকিৎসা বিজ্ঞান এটা প্রমাণ করেছে। টিভিতে, নিউজ পেপারে এমন কি নির্দিষ্ট নেশাকর দ্রব্যের প্যাকেটে সতর্ক বার্তা দেওয়া থাকে। তবুও মানুষ ধুম্পান করে। প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র প্রতিদিন গাঁজা খায়। একদিন শিক্ষক ছাত্রটিকে ধরে ফেলে মারধর করে এবং বলে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেবে। সেই ছেলেটি শিক্ষকের কাছে বলে স্যার আমি শুধরে গেছি গাঁজা আর কখনো খাবনা। বিড়ি,সিগারেটের মত গাঁজাও ছাড়া যায় না। যারা খায় তারা এটা জানে।

আমাদের বামফ্রন্ট পার্টিকে নষ্ট করে দিল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ওঁর মনে প্রাণে একটা হিংস্র মনোভাব কাজ করে। জতি বাবু মূখ্যমন্ত্রী থাকা কালীন ওঁ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিল। তখন থেকেই ও কাউকে পরোয়া করতেন না। জতি বাবুর পর বুদ্ধ বাবু মুখ্যমন্ত্রী হলে বেপরোয়া মনোভাব আর বেরে যায়। ২০০০ সাল শুরু থেকে রাজারহাটে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। ২০০৬ সালে আমরা সবচেয়ে ভাল ফল করি। এই জয় দেখে সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। সরকারী নির্দেশে জমি হস্তান্তর না করলে বামফ্রন্টের গুণ্ডা বাহিনী ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে অধিগ্রহণ করা হত। এসব হত গৌতম দেব ও বুদ্ধ বাবুর নির্দেশে। আব্দুল রাজ্জাক মহাশয় বার বার এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছেন। এই সময় বামফ্রন্টের অন্য শরীক দলের পক্ষ প্রতিবাদ করলে কোন কথা শোনা হয় নি। যার ফল স্বরূপ ২০১১ বিধান সভা ভোটে আমরা গো হারা হেরে যাই। বুদ্ধ বাবু স্বীকার করেছেন জমি অধিগ্রহণ পদ্ধতি ও নির্দেশ ভুল ছিল। বুদ্ধ বাবু, গৌতম বাবুকে C. P. I (M) পার্টি থেকে বহিষ্কার করলেই বামফ্রন্ট পুনরায় আরও শক্তি শালি হবে। বামফ্রন্ট কমরেড গন আপনাদের জানাই আমার আন্তরিক লালসেলাম।

Budha babu thik bolachan. Chorer didiq boro gala .ebar bujhba thala

দুধ কা দুধ , পানি কা পানি হয়ে যাক । তাড়াতাড়ি মামলার নিস্পত্তি চাই । ২০১৩ তেই । হিম্মত রাখ ভাইরা । বন্দেমাতরম ! ইনশাল্লাহ !

``DIPAK GHOSHER BAITA NIYE TRINOMUL KONO MAMLA KORCHENA KENO?

  • Roy
  • Posted: 3/6/2013 4:17:27 PM

Oi kajti korley to poschimbangla theke ekhuni sob ghoti bati baechey palatey hobey nordoma tmcer neta/netrider

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।