বাসভাড়ায় ফিরছে পুরনো স্টেজ

Update: November 16, 2012 21:23 IST

গত কয়েক দিন ধরেই বর্ধিত নতুন বাস ভাড়া নিয়ে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছিল। ভাড়া বৃদ্ধির ধোঁয়াশা পদ্ধতি বোধগম্য না হওয়ার দরুণ বাড় ছিল পরিবহণ কর্মীদের সঙ্গে যাত্রীদের বিবাদ। তার উপর গতকাল পার্থ চ্যাটার্জীর মন্তব্যে বিভ্রান্তির ছড়িয়ে ছিল আরও। ফল স্বরূপ যাত্রীদের মধ্যে বৃদ্ধি পাছিল প্রবল ক্ষোভ। অবশেষে সেই ক্ষোভের কাছেই আত্মসমর্ণ করল রাজ্য সরকার। যাত্রী অসন্তোষের চাপে বাসভাড়া নিয়ে ফের পিছু হঠল তারা। পয়লা নভেম্বর থেকে চালু হওয়া ভাড়ার নতুন স্টেজ বাতিল করা হচ্ছে। তার বদলে ফেরানো হচ্ছে পুরনো স্টেজ। ৩ কিলোমিটার নয়, ন্যূনতম দূরত্ব থাকছে ৪ কিলোমিটারই।

প্রতি স্টেজে ভাড়াবৃদ্ধি হবে এক টাকাই। আপাতত কলকাতা শহরেই কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্ত। আজ সন্ধেয় মহাকরণে একথা জানান শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।







Post Your Comment

Total Comments:3

EBER MODAN MITTER BIBITRI DEBEN MAMATA BANERJEER HOSTYOKHEPE BUS BHARER SAMADHAN HOLO. 31ST OCTOBER EKI BIBRITI DIYACHILEN. HMV.MAMATA BANERJEE SAAP HOYA KETEN OJHA HOYA JHAREN.

আর কত ছড়াবি ভাই/বোনরা আমার?

bus vara niye sara rajje chol6e churanto bisrinkhala. jekhane 20 taka vara chhilo, sekhane vara neoya ho66e 32 taka ja 50% er cheye besi. hooghly dist er Tarakeswar- Arambagh bus root e erokam e vara neya ho66e 14.11.12 theke.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।