রাত পেড়লেই তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন

Update: February 22, 2013 21:49 IST

কাল রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ইংরেজবাজার, রেজিনগর, নলহাটিতে ভোটগ্রহণকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ দুপুর থেকেই ভোট কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন ভোটকর্মীরা।

ইংরেজবাজার, রেজিনগর, নলহাটি। শনিবার তিন জেলার তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন। কয়েকদিন ধরেই ভোট ময়দানে বিভিন্ন দলের নেতা-নেত্রীরা। শনিবার সাতটা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
 
কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। তৃণমূলের প্রার্থী তিনিই। কংগ্রেস প্রার্থী ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও সিপিআইএম প্রার্থী কৌশিক মিশ্র। ইংরেজবাজারে মোট ২৫৩টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ভোটার, ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৭৯৩ জন। সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণের জন্য ১১ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
 
অধীর চৌধুরীর একসময়ের ঘনিষ্ঠ হুমায়ুন কবীরই এখন তাঁর বিরুদ্ধে। তৃণমূলে যোগ দিয়েই মন্ত্রী। এবারের উপনির্বাচনে হুমায়ুন কবীরই তৃণমূল প্রার্থী। বিপক্ষে কংগ্রেসের রবিউল আলম চৌধুরী ও আরএসপির সিরাজুল ইসলাম মণ্ডল। হুমায়ুনকে হারানোই এখন অধীর চৌধুরীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্চ। রেজিনগরে মোট ২৫৪টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। যার মধ্যে ৯৬টি স্পর্শকাতর বুথ। মোট ভোটার, ২ লক্ষ ২ হাজার ৯৭১ জন। ভোটগ্রহণের আগের দিনই এলাকায় ১৩ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
 
নলহাটির  প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক অভিজিত্‍‍‍ মুখার্জি এখন জঙ্গীপুরের সাংসদ। নলহাটিতে এবারের কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রহমান, তৃণমূলের বিপ্লব ওঝা। বামফ্রন্টের প্রার্থী ফরওয়ার্ড ব্লকের দীপক চ্যাটার্জি। নলহাটিতে মোট ২৪৭টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ভোটার ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩২৯ জন। নলহাটিতে মোতায়েন করা হয়েছে ১২ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী। উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা ২৮ ফেব্রুয়ারি। 
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।