সড়ক সম্প্রসারণের মাশুল, হকার উচ্ছেদ বাইপাসে

Update: March 24, 2012 18:37 IST

মাত্র দুদিনের নোটিসে রুবি হাসপাতাল থেকে পাটুলি পর্যন্ত হকার উচ্ছেদ অভিযান চালাল কেএমডিএ এবং পুলিস। ই এম বাইপাস সম্প্রসারণের জন্যই আজ এই অভিযান চালানো হয়। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে এক হাজারেরও বেশি অস্থায়ী দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। গ্রেফতার করা হয় ৪১ জন হকারকে। তাঁদের পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সম্প্রসারণের জন্য ই এম বাইপাস সংলগ্ন রুবি হাসপাতাল থেকে পাটুলি পর্যন্ত এলাকায় হকারদের সরে যেতে বৃহস্পতিবার প্রচার চালায় কেএমডিএ এবং পুলিস। এ খবর পাওয়ার পর মাথায় হাত পড়ে ব্যবসায়ীদের। ব্যবসায়ীদের একাংশ শুক্রবার হাজির হন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে। হকারদের দাবি, সেখান থেকে তাঁদের যেতে বলা হয় তৃণমূল ভবনে। মুকুল রায়ের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয় তাঁদের। তাতেও সুরাহা হয়নি। তাই এলাকার বিধায়ক মণীশ গুপ্তের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। হকারদের দাবি, বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তখনই জানিয়ে দেন, তাঁর পক্ষে এ ব্যাপারে কিছুই করা সম্ভব নয়। এরপরই শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে যায় হকার উচ্ছেদ অভিযান। পুলিসের সাহায্যে কয়েক হাজার দোকান একের পর এক গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করেন কেএমডিএ-র কর্মীরা।  
 
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নতুন করে যেমন কোনও হকারকে বসতে দেওয়া হবে না, তেমনই পুরনো কোনও হকারকে উচ্ছেদ করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেও, কেন উচ্ছেদ অভিযান, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হকাররা।
 
উচ্ছেদের সময় পাটুলি উপনগরী হকার সংগ্রাম কমিটি এলাকায় বিক্ষোভ দেখায়। এই অভিযানের জেরে কর্মহীন হয়ে পড়লেন কয়েক হাজার হকার।






Post Your Comment

Total Comments:1

At least in this case, I have 200% support.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।