চালু হচ্ছে ক্যাস

Update: August 21, 2012 22:10 IST

অবশেষে চালু হতে চলেছে কেরিয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট স্কীম বা ক্যাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক সহ বিভিন্ন অংশের কলেজ শিক্ষাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাস চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই আটকে যায় ক্যাস। এর জেরে পদোন্নতি ও বেতনবৃদ্ধির বিষয়টিও আটকে থাকে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন  বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক সহ সব অংশের শিক্ষাকর্মীরা। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েবকুটা এবিষয়ে কর্মবিরতিও পালন করে। এক অংশের আমলার মত ছিল, ক্যাস চালু হলে বর্তমান আর্থিক অবস্থায় ক্ষতি হবে সরকারের। ক্যাস চালু হলে পদোন্নতি হবে অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের । এর ফলে বেতনও বাড়বে। কিন্তু ডান-বাম সব শিক্ষক সংগঠনই ক্যাস চালুর দাবিতে রীতিমত সোচ্চার ছিল। এক্ষেত্রে বিশেষত ডানপন্থী অধ্যাপক সংগঠনগুলির কাছে তাদের সংগঠন ধরে রাখতে সমস্যা হচ্ছিল। ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে ক্যাস চালু ছিল একটা বড় ইস্যু। অধ্যাপকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে অবশেষে সেই পথেই হেঁটে ক্যাস চালুর উদ্যোগ নিল সরকার।

মঙ্গলবার মহাকরণে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁরা পড়ান,অ্যাসিসটেন্ট লাইব্রেরিয়ান, এডুকেশন ও ক্রিড়া প্রশিক্ষক, এছাড়াও রাজ্য পরিচালিত কোলেজ গুলিতে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা ১লা নভেম্বর থেকে ক্যাসের সুবিধা পাবেন"। তবে সরকারি স্তরে ঘোষণা হলেও নির্দেশিকা কবে বেরোবে তা নিয়ে দিশা দেখাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।