জগনের সম্পত্তি মামলায় নাম জড়াল শ্রীনিবাসনের

Update: June 8, 2012 11:54 IST

জগনমোহন রেড্ডির হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি মামলায় বিসিসিআই সভাপতি এন শ্রীনিবাসনের নাম জড়াল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। রাজশেখর রেড্ডির পুত্র জগনমোহনের একাধিক সংস্থায় বিনিয়োগ রয়েছে  শ্রীনিবাসনের। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড-এর সভাপতির মালিকানাধীন ইন্ডিয়া সিমেন্টস লিমিটেড-এর জগনমোহন রেড্ডির দুই সংস্থা ভারতী সিমেন্টস ও জগতী পাবলিকেশনে বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই।

সিবিআইয়ের অভিযোগ, এর বিনিময়ে রাজশেখর রেড্ডি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অন্ধ্রপ্রদেশে ইন্ডিয়া সিমেন্টসের দুটি কারখানাকে ঢালাও জল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। যার ফলে, উত্‍পাদন বাড়াতে সক্ষম হয় ইন্ডিয়া সিমেন্টস। দফায় দফায় জেরার পর আয় বহির্ভূত সম্পত্তি মামলার জেরে গত ২৭ মে কাডাপার ওয়াইএসআর কংগ্রেস সাংসদ জগনমোহন রেড্ডিকে গ্রফতার করে সিবিআই। ভারতীয় দণ্ডবিধির ফৌজদারি ষড়যন্ত্র(১২০বি), প্রতারণা(৪২০), নথি জাল(৪৭৭-এ), চুক্তিভঙ্গ(৪০৯) এবং দুর্নীতি দমন আইনের ১৩(১)ডি ও ১৩(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে প্রয়াত রাজশেখর রেড্ডির ছেলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

এই মামলা নিয়ে গতকালই, পূর্বতন রাজশেখর রেড্ডি মন্ত্রিসভার সেচমন্ত্রী পোন্নালা লক্সমাইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এদিন শ্রীনিবাসনকে জেরায় হাজির হওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিবিআই-এর তরফে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে জেরার জন্য হায়দরাবাদে সিপিআই অফিসারদের সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ জুন অন্ধ্রপ্রদেশের ১৮টি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা আসনে উপনির্বাচন। তার আগে রাজশেখর-পুত্রের অবৈধ সম্পত্তির মামলায় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতির নাম জড়িয়ে যাওয়ায় পুরো বিষয়টি অন্য মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জগনমোহন রেড্ডি এবং তাঁর দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে ইতিমধ্যেই অভিযোগ তোলা হয়েছে, উপনির্বাচনের আগেই তাঁকে ভোটের ময়দান থেকে সরিয়ে দিতে রাজনৈতিক চক্রান্ত করছে কংগ্রেস।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।