সিডি বিতর্কের জেরে ইস্তফা সিংভি`র

Update: April 23, 2012 21:14 IST

সিডি বিতর্কের জেরে শেষ পর্যন্ত এআইসিসি`র মুখপাত্র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিষেক মনু সিংভি। সংসদের আইন বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন বিশিষ্ট এই কংগ্রেস নেতা। সম্প্রতি ওই কংগ্রেস নেতাকে জড়িয়ে একটি বিতর্কিত সিডি সামনে আসে। তার জেরেই এই ইস্তফা। গোটা ঘটনা থেকে কংগ্রেস দূরে থাকার চেষ্টা করলেও অভিষেক মনু সিংভির বিবৃতি দাবি করেছে বিজেপি।

কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভিকে জড়িয়ে একটি সিডি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় রাজধানীর রাজনীতি। ওই সিডিতে নিজের চেম্বারে এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে অভিযেক মনু সিংভিকে, এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেস নেতার উপর ব্যক্তিগত স্তরে ক্ষোভের কারণেই তাঁর গাড়ির চালক ওই সিডি সামনে আনেন।

শেষপর্যন্ত সেই সিডি বিতর্কের জেরেই দলের মুখপাত্রের পদ এবং আইন বিষয়ক সংসদের স্ট্যান্ডিং কমিটির পদ থেকে ইস্তফা  দিলেন অভিযেক মনু সিংভি। তবে তাঁর অভিযোগ, সিডিটি আসল নয়। তা বিকৃত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা জনার্দন দ্বিবেদীর বক্তব্য, বিতর্ক মাথাচাড়া দেওয়ায় ইস্তফা দিয়ে ঠিক কাজই করেছেন অভিযেক মনু সিংভি।

তবে বিজেপির অভিযোগ, সমস্যা ব্যক্তিগত নয়, বরং গুরুতর। সেই কারণেই কী কারণে তাঁর ইস্তফা তা ব্যাখ্যা করুন অভিযেক মনু সিংভি, এই দাবি তুলেছে বিজেপি। মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব। তার আগে অভিষেক মনু সিংভিকে ঘিরে এই বিতর্কে নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়ল কংগ্রেসের।

Post Your Comment

Total Comments:1

Power corrupts and absolute power corrupts absolutely. The Shakespearean adage is universal and true for all time. This is why the political class in any country which is the most powerful is most corrupt.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।