রান্নার গ্যাসে ভর্তুকিতে অস্বস্তিতে কেন্দ্র

Update: December 11, 2012 22:00 IST

রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ইস্যুতে নতুন করে অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার গুজরাট বিধানসভার প্রথম পর্যায়ের ভোটগ্রহণ। ভোটের ঠিক দুদিন আগে মঙ্গলবার রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে ভর্তুকির সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। পরিবারপিছু বছরে ছটা নয়, ভর্তুকি দেওয়া সিলিন্ডারের সংখ্যা বেড়ে হবে নটা।

রান্নার গ্যাসে ভর্তুকির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একথা জানান পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বীরাপ্পা মইলি। এখবর চোখে পড়ার পর নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য  নির্বাচন কমিশনের তরফে  চিঠি পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে। তার আগে জরুরি বৈঠক সেরে নেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভি এস সম্পত।

কেন্দ্র এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রতিটি পরিবার বছরে ৬ টি সিলিন্ডার ভর্তুকি দেওয়া দামে কিনতে পারবে। এর বেশি  সিলিন্ডার দরকার হলে বাজারদরে তা কিনতে হবে। মইলি জানান, এনিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী চিদম্বরমের। এই খাতে বাড়তি ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের চিঠির জেরে এনিয়ে রীতিমতো অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।