পরীক্ষা পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন, আসছে পার্বিক মূল্যায়ন

Update: November 17, 2012 10:17 IST

ইউনিট টেষ্ট তুলে দিয়ে আগামিবছর থেকে তিনটি পার্বিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। প্রতি ৪ মাস অন্তর এই পার্বিক মূল্যায়ন করা হবে । পার্বিক মূল্যায়ন ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুনভাবে সারাবছর ক্লাসে ছাত্রছাত্রীর ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা চালু হবে।   

এই মুহুর্তে বছরে মোট চারটি লিখিত ইউনিট টেষ্ট ও একটি বার্ষিক পরীক্ষায় বসতে হয় ছাত্রছাত্রীদের । ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতির অঙ্গ হিসেবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এই ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে শুক্রবার সরকারের কাছে প্রস্তাব জমা দিল সিলেবাস কমিটি। সুপারিশ অনুযায়ী সেক্ষেত্রে সারাবছর ধরেই একজন শিক্ষক একটি ছাত্র বা ছাত্রীর মূল্যায়ন করবেন। সুপারিশে আরও বলা হয়েছে প্রত্যেক ছাত্র বা ছাত্রীর ধারবাহিক মূল্যায়নের জন্য আলাদা আলাদা নোট বুক তৈরি করবেন শিক্ষকরা। সেক্ষেত্রে মূলত পাঁচটি ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন করে  নম্বর দেওয়া হবে। এই মূল্যায়নের জন্য লিখিত পরীক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। বাধ্যতামূলকভাবে বছরে তিনটি লিখিত পরীক্ষায় বসতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। প্রতি চারমাস অন্তর হবে এই পরীক্ষা। প্রতি চারমাসে যতটা পড়ানো হবে তার ভিত্তিতেই এই পরীক্ষা হবে। নির্দিষ্টভাবে বার্ষিক পরীক্ষা বলে কিছু থাকবে না।

প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছে সিলেবাস কমিটি।  লিখিত পরীক্ষার যে ফল প্রকাশ করা হবে সেখানে ধারাবাহিক মূল্যায়নেরও প্রতিফলন থাকবে। যদিও সেই ফলের ওপর ভিত্তি করে ফেল বা পাশের কোনও ব্যবস্থা থাকবে না। বছরে তিনটি লিখিত পরীক্ষার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন নিয়ে সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবগুলি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের  মতামত  চাওয়া হবে। 

Post Your Comment

Total Comments:3

We are waiting at last

madhyamik r sylebus ta brano darkar hs r sthe anek difference

madhyamik r sylebus ta brano darkar hs r sthe anek difference

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।