হুগো শ্যাভেজের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

Update: January 5, 2013 10:56 IST

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে তাঁর। গত এগারোই ডিসেম্বরের অস্ত্রোপচারের পর থেকেই শ্যাভেজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে জল্পনা দেখা দিয়েছে। ভেনেজুয়েলা সরকার দেশবাসীকে প্রেসিডেন্টের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে। তবে দশ জানুয়ারি শ্যাভেজের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পিছিয়ে যাবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। গত এগারোই ডিসেম্বর কিউবায় ক্যান্সারের জন্য চতুর্থবার অস্ত্রোপচার হয় শ্যাভেজের। প্রায় ছয় ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর আচমকা রক্তক্ষরণের জেরে কিছু জটিলতা দেখা দেয়। তারপর থেকেই গুরুতর অসুস্থ তিনি। ভেনেজুয়েলা সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অস্ত্রপচারের জেরে স্যাভেজের ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে। তার ফলে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন তিনি।

অস্ত্রোপচারের পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই জনসমক্ষে দেখা যায়নি শ্যাভেজকে। কিন্তু একই সঙ্গে অসুস্থ প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক কোনও ছবি বা ভিডিও দেখা যায়নি ভেনেজুয়েলার সংবাদমাধ্যমে। যদিও যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

তবে জল্পনা থামছে না। একদিকে পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমে শ্যাভেজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে জল্পনা। অন্যদিকে দীর্ঘদিন প্রেসিডেন্ট অন্তরালে। কিছুটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভেনেজুয়েলার মানুষের মধ্যে। তাঁরা অধীর আগ্রহে শ্যাভেজের খবর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

ভেনেজুয়েলার সংবিধান অনুযায়ী আগামী দশ জানুয়ারী ফের প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে হবে হুগো শ্যাভেজকে। কিন্তু অসুস্থতার কারণে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পিছিয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে এখন জোর জল্পনা।






Post Your Comment

Total Comments:2

I SAW YOU AT OUR RABINDRA SAROBAR LAKE AT KOLKATA,INDIA. A MAN OF FIRM CONVICTION WITH PASSIONATE LOVE FOR MOTHER-LAND THAT SHOULD BE FREE FROM EXPLOITATION.I THOUGHT SIMPLY AM I RIGHT OR WRONG ! A REVOLUTION, A RECITATION BY BUDDHADEB BHATTACHARJEE OF A POEM OF TAGORE. CORRECTION! MADE THAT POSSIBLE.TO-DAY, COMRADE, HUGOO YOU CANNOT LEAVE US ,WE DEMAND YOU, CURE IS MUST FOR YOU. BEST WISHES. LONG LIVE!

Long live dear comrade Yugo Savez.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।