শ্বাসকষ্টে ভুগছেন শাভেজ

Update: February 22, 2013 16:48 IST

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ এখনও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন। শুক্রবার ভেনেজুয়েলার সরকারের সূত্রে এই খবর জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ক্যানসারে আক্রান্ত শাভেজ কিউবাতে অপরেশন ও চিকিৎসার দু`মাস ছলেন। গত সপ্তাহেই দেশে ফিরেছেন তিনি।

গত বছরের অক্টোবরে ষষ্ঠ বারের জন্য ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন শাভেজ। এই বছরের ১০ জানুয়ারিতে ৫৮ বছর বয়সের এই বামপন্থী নেতার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রনেতার শারীরিক অসুস্থতার কারণে সে দেশের শীর্ষ আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে বিরোধীরাও কোন আপত্তি জানায়নি।

ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরেই প্রেসেডেন্টের দায়িত্ব শাভেজ আর সামলাতে পারবেন কিনা তা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল। ভেনেজুয়েলার সরকারের পক্ষ পুরো বিষয়টি নিয়ে চরম গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়। আজকে সরকারের তরফ থেকেই শাভেজের অসুস্থতা নিয়ে খবর দেওয়া পুরনো জল্পনা নতুন করে উসকে দিল।

ভেনেজুয়েলার সংবিধান অনুযায়ী কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও প্রেসিডেন্ট যদি তাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়ান অথবা তাঁর মৃত্যু হয়, তাহলে এই ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন হবে। কিউবাতে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার আগে শাভেজ নিজেই জানিয়ে গিয়েছিলেন প্রয়োজন হলে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তাঁর বদলি হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।