ডাক্তারের লোভে গর্ভেই শিশুর মৃত্যু: ২৪ ঘন্টা এক্সক্লুসিভ

Update: November 18, 2012 16:02 IST

কিছু বাড়তি টাকা রোজগারের লোভ।  আর সেই কারণেই হাসপাতালের আউটডোরে দেখাতে আসা প্রসূতিকে হাইজ্যাক করে নিজের ক্লিনিকে নিয়ে গেলেন এক চিকিত্সক। এই অভিযোগ উঠেছে, কসবার একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিত্সক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। ৭ অক্টোবর স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ধ্রুবা রায়ের অধীনে অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল অন্তঃসত্ত্বা সর্বাণী ঘোষের। অভিযোগ, পরিবারের লোকেদের ভুল বুঝিয়ে, ওই হাসপাতালেরই আরেক চিকিত্সক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য সর্বাণীকে নিজের ক্লিনিকে নিয়ে যান। ঠিক সময়ে অস্ত্রোপচার না হওয়ায় গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

কসবার একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ধ্রুবা রায়ের অধীনে চিকিত্সাধীন ছিলেন সন্তোষপুর-রাজাপুরের বাসিন্দা সর্বাণী ঘোষ। ঠিক ছিল, ৭ অক্টোবর সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচার করা হবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের নার্স সর্বানী ঘোষের। এরজন্য ধ্রুবা রায়ের পাশাপাশি স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকেও দায়িত্ব দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপরই বাধে বিপত্তি। অভিযোগ, হাসপাতালকে অন্ধকারে রেখে সর্বাণী ঘোষকে নিজের ক্লিনিকে নিয়ে যান  সুদীপ্ত ভট্টাচার্য। তিনবার তিনটি পৃথক ক্লিনিকে মোটা টাকা ফি দিয়ে সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকে দেখাতে বাধ্য হন সর্বাণী।
 
চিকিত্সক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যের নির্দেশ মতো, ১০ অক্টোবর সন্তান প্রসবের জন্য সর্বাণীকে কসবার বেসরকারি হাসপাতালটিতে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, আল্ট্রা সনোগ্রাফি রিপোর্টে, গর্ভস্থ শিশুর অবস্থার অবনতি হচ্ছে বোঝা গেলেও অস্ত্রোপচার করেননি সুদীপ্ত ভট্টাচার্য। এর দুদিন পরে গর্ভেই মৃত্যু হয় শিশুটির।
 
কোড অফ কন্ডাক্ট ভেঙে নিজের ক্লিনিকে রোগী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে চিকিতসক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকে বরখাস্ত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে চিকিত্‍সার গাফিলতিতে সর্বাণী ঘোষের গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ মানতে নারাজ হাসপাতাল।
 

 
অভিযুক্ত বেসরকারি হাসপাতাল এবং চিকিত্‍সক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তিলজলা থানায় এফআইআর দায়ের করেছে সর্বাণী ঘোষের পরিবার।  তাঁদের বিরুদ্ধে ৩০৪ -এ এবং ৩৪ ধারায় গাফিলতিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়েছে।
 

Post Your Comment

Total Comments:4

Now a days all private hospitals are more interested to charge medical expenses than to take care of the patients. Recent exprience in reputed private hospita in Mukandpur (RTTCS) : My sister admitted to this hospital with civior heart attack, before she was being taken care for treatment, the hospital authority wanted to ensure that she is covered medical insurance. since it was on festival time ( Durga Puja)hospital not taken care for about 24hours. Hospital has administarted Angioplasty and she was in CCU. It was surprising that without keeping her in post operation observation, she was discharged from CCU, as a result she was to readmitted after 4/5 days. now it was more ceviour. finally doctor say you have brought her late and and survived only 3 days that to with life support equipment. All put together hospital charged Rs.6.00Lacs. Now who is responsible for my sister`s death??????? Can anybody answer.

Bloody Bastard doctor... we want to see him in jail... he is not a doctor , he is a like animal.

Jial hona chahiya

blade bustard mother chod doctor.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।