লাদাখের বায়ুতে চিনের কপ্টার, সুর চড়াচ্ছে ভারত

লাদাখের বায়ুতে চিনের কপ্টার, সুর চড়াচ্ছে ভারত

ভারতে চিন সেনার অনুপ্রবেশ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মধ্যেই লাদাখ সীমান্তে যেতে শুরু করল ভারতীয় সেনা। সূত্রে খবর, সেনাবাহিনীর পার্বত্য এলাকার পারদর্শী দলকে দৌলত বেগ ওলদি সেক্টরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিসবাহিনীও (আইটিবিপি) ওই অঞ্চলে ঘাঁটি করেছে। তবে ভারতীয় সীমানায় চিন সেনার অনুপ্রবেশ সমস্যা মেটাতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকেই হাতিয়ার করতে চায় ভারত।

Updated: Apr 23, 2013, 10:32 AM IST

লাদাখ সীমান্তে ইতিমধ্যেই যেতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। চলছে দ্বিতীয় দ্বিপাক্ষিক সীমান্ত বৈঠকও। তা সত্ত্বেও আবার ভারতের বায়ুসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠল চিনা হেলিকপ্টারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, চিন সেনার একটি চপার ভারতের বায়ুসীমান্তের ভিতর প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ চক্কর খেয়ে ফিয়ে যায়। দৌলত বেগ অলদির অনতিদূরে ডেপসাং-এর বায়ুসীমায় ঘটনাটি ঘটে। 
চিন অবশ্য ১৫ এপ্রিলের মতো এদিনের কথাও অস্বীকার করেছে।
১৫ এপ্রিলের ঘটনায় চিনের সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিং বলেন, "চিনের সীমান্তরক্ষীরা চিনের সীমানাই পাহাড়া দিয়েছে।"
সূত্রে খবর, সেনাবাহিনীর পার্বত্য এলাকার পারদর্শী দলকে দৌলত বেগ ওলদি সেক্টরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিসবাহিনীও (আইটিবিপি) ওই অঞ্চলে ঘাঁটি করেছে।
তবে ভারতীয় সীমানায় চিন সেনার অনুপ্রবেশ সমস্যা মেটাতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকেই হাতিয়ার করতে চায় ভারত।
চলতি মাসের ১৫ তারিখ পূর্ব লাদাখের দৌলত বেগ ওলদি এলাকায় ভারতীয় সীমারেখার ১০ কিলোমিটার অতিক্রম করে একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরির অভিযোগ উঠেছে চিন সেনার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, পূর্ব লাদাখের দৌলত বেগ ওলদি এলাকায় ভারতীয় সীমারেখা প্রায় ১০ কিলোমিটার ভিতরে এসে অস্থায়ী ঘাঁটি গেড়েছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সেনারা। যদিও ভারতীয়  সীমানায় অনুপ্রবেশের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে চিন।   
ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিষয়টি যথেষ্ঠ গুরুতর বলেই মনে করছেন জম্মু ও কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী সাজ্জাদ কিচলু। এ বিষয়ে কেন্দ্রকে জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর।
পূর্ব লাদাখের ভারতীয় সীমানায় চিনা সেনার অনুপ্রবেশ নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেছে বিজেপিও।
তবে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে অ্যান্টনি।