`চোখের পানি`তে ভিজল চলচ্চিত্র উত্সব

Update: November 10, 2012 19:35 IST

আবার নন্দীগ্রামের ছায়া কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে। আর বিক্ষোভের সুর এবার নন্দীগ্রামের মানুষের গলাতেই। বিতর্কের কেন্দ্রে নন্দীগ্রামের ঘটনা নিয়ে তৈরি ছবি `চোখের পানি`। শনিবার চলচ্চিত্র উত্সবের উদ্বোধনের আগে নেতাজি ইন্ডোরে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্‍সবে দেখানো হচ্ছে না `চোখের পানি`। তারই প্রতিবাদে আজ নেতাজি ইন্ডোরের সামনে বিক্ষোভ দেখান নন্দীগ্রাম শহিদ স্মারক কমিটির সদস্যরা। কালো পতাকাও দেখানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। ২০১০ নন্দীগ্রাম নিয়ে বিক্ষোভে তোলপাড় হয়েছিল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবের উদ্বোধনী পর্ব। দু`বছর পর আবার ফিরে এল সেই নন্দীগ্রাম, সেই চলচ্চিত্র উত্সবের মঞ্চেই। আর এ বার নন্দীগ্রামের মানুষ সোচ্চার তাঁদের জমি-আন্দোলনের নেত্রীর বিরুদ্ধেই।
বিতর্কের কেন্দ্রে `চোখের পানি` ছবিটি। নন্দীগ্রামের ঘটনা নিয়ে তৈরি এই ছবিটি দেখানো হচ্ছে না চলচ্চিত্র উত্সবে। সেই কারণেই শনিবার নন্দীগ্রাম শহিদ স্মারক কমিটির সদস্যরা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। দেখানো হয় কালো পতাকাও। ভিতরে যখন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান চলছে, বাইরে তখন নন্দীগ্রামের মানুষদের আর্ত প্রতিবাদ।
পুলিস এসে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। দু`পক্ষের মধ্যে চলে ধ্বস্তাধস্তি। ছবির চিত্রনাট্যকার সহ মোট পনেরো জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিস। মানিক মণ্ডল, ছবির স্ক্রিপ্ট রাইটার জানান, নন্দীগ্রামের চোখের পানি ছবিতে অশান্ত নন্দীগ্রামে মাওবাদীদের উপস্থিতি এবং তাঁদের প্রশিক্ষণে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির লড়াইয়ের ঘটনা দেখানো হয়েছে। বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী। সেই পরিবর্তনের প্রতিবাদে ফের সোচ্চার নন্দীগ্রাম। দু`হাজার দশে নন্দীগ্রাম নিয়ে বিক্ষোভে তোলপাড়
হয়েছিল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবের উদ্বোধনী পর্ব। দু`বছর পর আবার ফিরে এল সেই নন্দীগ্রাম, সেই চলচ্চিত্র উত্সবের মঞ্চেই। আর এ বার নন্দীগ্রামের মানুষ সোচ্চার তাঁদের জমি-আন্দোলনের নেত্রীর বিরুদ্ধেই।
 

 

Post Your Comment

Total Comments:4

I don`t understand the reasons for recurrence of such incidence. What else would happened if a birth was given to the film ? If it was not praiseworthy people would have rejected ? Similarly what damage would have caused if 3kanya was allowed to continue in Star Theatre ? Cultural friendly Mamata Banerjee should have intervened and come forward to exhibit both the film which would no doubt made her generous.

Let not the sandstorm of egoism obliterate our path of wisdom. Pl see the writing on the wall and correct yourself before it`s too late. We expected a lot from you Mamtadi! Amitava Bachchan only showed his class when he mentioned about our legends, whom we have forgotten or do not like to invite in the film festival for reasons not known to us!!

kalopotaka dekhano soro holo

চুপ । গণতন্ত্র চলছে ।

  • N.Patra
  • Posted: 11/12/2012 9:55:48 AM

appropriate. no reference needed.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।