ছোলার ডাল

Update: October 28, 2012 15:04 IST

আর কয়েক ঘণ্টা পরই বাঙালি গৃহস্থের সেরা উত্সব লক্ষ্মীপুজো। চলছে জোর প্রস্তুতি। ফল, মিষ্টি, নাড়ু, মুড়কির সঙ্গেই জোরকদমে চলছে ভোগের আয়োজন। আর সাদা লুচির সঙ্গে সেরা সঙ্গত করতে ঘিয়ের সুগন্ধে ভরপুর মিষ্টি ছোলার ডাল ছাড়া লক্ষ্মীপুজোর ভোগ অসম্পূর্ণ।

কী কী লাগবে

ছোলার ডাল: ২ কাপ
জল: পরিমান মত
নুন: স্বাদ মত
তেজপাতা: ৪ খানা
টমেটো: মাঝারি আকারের ১০ খানা
ঘি: ৪ বড় চামচ
আস্ত জিরে ছোট: ১ চা চামচ
আদাকুচি: ২ চা চামচ
হিং গুঁড়ো: ৪ চা চামচ
নারকেল কুচি: আধ মালা
চিনি: স্বাদ মত

কীভাবে বানাবেন


ডাল ভাল করে বেছে ধুয়ে একটা পাত্রে সারা রাত ধরে জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে জাল থেকে জল ঝরিয়ে নিন। এবারে একটা বড় ডেকচিতে প্রায় ১৬ কাপ মত জল নুন দিয়ে ফোটান। জল ফুটে উঠলে ডাল ছেড়ে দিন। চড়া আঁচে ৫০ মিনিট ডাল সিদ্ধ করুন। ডাল সিদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে নিয়ে টমেটো কুচি দিন। এবারে অন্য একটা পাত্রে ঘি গরম করে প্রথমে তেজপাতা ও জিরে ফোড়ন দিন। কয়েক সেকেন্ড পর আদাকুচি ও হিং দিন। এবারে নারকেল কুচি মিশিয়ে সুন্দর গন্ধ বেরোনো পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। এরপর ফোড়নটা ডালের মধ্যে ঢেলে দিন। সবশেষে চিনি মিশিয়ে নামিয়ে নিন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।