শ্রমিক সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ সিটুর

Update: November 27, 2012 10:20 IST

সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দুদিনের অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিটু। গতকাল, বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত। ঠিকা কর্মী নিয়োগ, খুচরো ব্যবসায়ে বিদেশি বিনিয়োগের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

অঙ্গনওয়াড়ি, মিড ডে মিলের মতো নানা সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা সোমবার যন্তর-মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন। সিটুর ডাকে এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন বিভিন্ন রাজ্যের প্রায় ৫০ হাজার মহিলা কর্মী। সমাবেশে সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত অভিযোগ করেন, সরকারি প্রকল্পের কর্মীদের স্বেচ্ছাসেবী, সহায়িকা নামে ডাকা হচ্ছে। ফলে, শ্রমিক-কর্মচারির অধিকার থেকে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। মজুরির পরিবর্তে মিলছে নামমাত্র ভাতা।

অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারিদের দিকে না তাকিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বৃহত্‍ বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির স্বার্থ রক্ষা করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রকাশ কারাত। খুচরো ব্যবসায়ে বিদেশি লগ্নিরও বিরোধিতা করেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক।

সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত অস্থায়ী কর্মীদের ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা মজুরি, পেনশন সহ অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষার দাবি তোলা হয়েছে এই সমাবেশে। বিষয়টি নিয়ে সংসদের ভিতরে-বাইরে আগামিদিনে আরও বেশি করে সরব হওয়ার কথা জানিয়েছে বামেরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।