গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষত্‍

Update: March 11, 2012 21:21 IST

দুই গোষ্ঠীর বিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষত্‍। অভিযোগ উঠেছে রবিবার বার্ষিক সাধারণ সভায় কয়েকজন সদস্যকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। তাঁরা জোর করে সভায় ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় পরিষত্‍- এর কর্মচারীরা। ঘটনা সামাল দিতে এলাকায় বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিবাদের মধ্যেই সভার কাজ শেষ হয়। এর বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সদস্যদের একাংশ।

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষত্‍ নিয়ে কয়েকমাস ধরেই টানা পোড়েন চলছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক স্বপন বসু আন্তর্জাতিক বই পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিশন বসিয়েছে রাজ্য সরকার। সরকারি সাহায্যও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যেই বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের একাংশকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগের তির স্বপন বসুর দিকেই। অন্যদিকে স্বপন বসুর অভিযোগ, কারিগরী শিক্ষামন্ত্রী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের মদতেই ইচ্ছাকৃত ঝামেলা চালাচ্ছেন কয়েকজন।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।